Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Relations

কেউ কিছু খেতে দেয় নি

স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী তার বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছিল। স্বামীর অপ্রত্যাশিত আগমন টের পেয়ে সবকিছু দ্রুত সামলে নিল সে। বয়ফ্রেন্ডের গায়ে লোশন মেখে পাউডার ছিটিয়ে দিয়ে ঘরের এক কোণে দাঁড় করিয়ে বলল – তুমি এখন একটা স্ট্যাচু, একটুও নড়বে না,বুঝতে পেরেছ? বয়ফ্রেন্ড স্ট্যাচু হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ঘরে ঢুকে স্বামী নতুন স্ট্যাচু দেখে খুব খুশি হলো। স্ত্রী এত সস্তায় এত সুন্দর একটা স্ট্যাচু কিনে এনেছে বলে ধন্যবাদ দিল। গভীর রাতে স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়লে স্বামী বিছানাছেড়ে নামল। ফ্রিজ খুলে এক পিস কেক নিয়ে স্ট্যাচুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বলল, . কেকটুকু খেয়ে নাও। আমিও আমার গার্লফ্রেন্ডের বাসায় এভাবে তিনদিন দাঁড়িয়ে ছিলাম, কেউ কিছু খেতে দেয় নি ।

দুইটা খারাপ খবর আছে

মন্টু : দোস্ত, দুইটা খারাপ খবর আছে? বল্টু : দুইটাই এক লগে কয়া ফালা তাইলে। মন্টু : তোর গার্লফ্রেন্ড তোরে আর আমারে দুজনরেই ধোঁকা দিতাছে!

ছোট বউ চাই

দুই বন্ধু তাদের পরিচিত এক নায়িকার বয়স নিয়ে কথা বলছে- অপু : ফিল্ম স্টার টুপুরকে চিনিস? তপু : চিনবো না আবার, আমার ছেলেবেলায় উনি আমাদের পাড়াতে থাকতেন। তখন আমার বয়স ছিল আট বছর, উনার উনিশ-কুড়ি। অপু : এখন তার বয়স কত? তপু : শুনি তো উনার এখন ছাব্বিশ, আমি অবশ্য তিরিশে পৌঁছেছি। নায়িকাদের নাকি বয়স কমে না। **** সে তো বেশি সুন্দরী  ছেলে আর মেয়ে একজন আরেকজনের হাতে হাত রেখে হেঁটে যাচ্ছিলো। তখন এক বাচ্চা ছেলে এসে বলল- বাচ্চা : ভাইয়া, গতকাল যাকে নিয়ে আসছিলেন সে তো বেশি সুন্দরী ছিল। **** ছোট বউ চাই এক সমবয়সী দম্পতি ছিল, দু’জনেরই বয়স ৬০ বছর। একদিন এক পেত্নী এসে তাদের বলল- পেত্নী : আমি তোদের দু’জনের একটা করে ইচ্ছা পূরণ করতে পারি, বল কে কি চাস? স্ত্রী : আমি আমার স্বামীর সঙ্গে সারা পৃথিবী ঘুরতে চাই।  পেত্নী চুটকি বাজিয়ে দু’টো প্লেনের টিকিট বউটাকে দিয়ে দিল। তারপর লোকটিকে বলল-  পেত্নী : এবার তুই বল কি চাস? স্বামী : আমি আমার থেকে ৩০ বছরের ছোট বউ চাই।  পেত্নী এবারও চুটকি বাজালো, আর লোকটিকে ৯০ বছরের করে দিল।

নার্সের দিকে তাকাবে না

প্রেমিক : আমি কোন কোন দিকে তাকাতে পারবো বলে দাও। প্রেমিকা : ভালো বুদ্ধি। তুমি শুধু তোমার পায়ের বুড়ো আঙুলের দিকে তাকাবে। এভাবে নিচের দিকে তাকিয়ে চলাচল করবা। ওকে? প্রেমিক : হুম। ওকে! প্রেমিকা : দ্যাটস মাই বয়! এই নাও ফ্লায়িং পাপ্পি! প্রেমিক : এতো কিছুর পর যে পাপ্পি দিলা ওটাও ফ্লায়িং! প্রেমিকা : কিছু বললা? প্রেমিক : নাহ! এখন আসি তাইলে? প্রেমিকা : যাও। চার ঘণ্টা পর- প্রেমিকা : বেবি, তুমি কই? প্রেমিক : হাসপাতালে। প্রেমিকা : কেন? প্রেমিক : তোমার কথা শুনে পায়ের বুড়ো আঙুলের দিকে তাকিয়ে বাইক চালাইছিলাম। তারপর কিছু মনে নাই। উঠে দেখি হাসপাতালে আছি! প্রেমিকা : তাই? সাবধান! নার্সের দিকে তাকাবে না!

এখন রাজি হয়ে লাভ কী?

একটি গাভি এবং একটি ষাড় মাঠে ঘাস খাচ্ছিল। এসময় ওদের মধ্যে কথা হয়- গাভি : আই লাভ ইউ। ষাড় : আমি তোকে কতদিন আগে বলেছি। এতদিন পর তোর রিপ্লাই দেবার সময় হল? এখন রাজি হয়ে লাভ কী? গাভি : তুই কি বলতে চাইছিস? ষাড় : না... মানে... সামনেই তো ঈদ!

কোন প্রেমে কেমন সুবিধা!

ফেসবুক প্রেম ইন্টারনেট ডাটা খরচে প্রেম করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম ফেসবুক। মনের যত কথা আছে ফেসবুকের কল্যাণে বলতে  পারেন। শুধু সময় দিতে হবে। চেহারা অসুন্দর হলেও সমস্যা নেই। প্রোফাইলে ফুল বা ছোট বাচ্চার ছবি রাখবেন। অ্যাবাউটে নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে লিখে রাখবেন। জন্ম সাল না লিখে শুধু তারিখ লিখে রাখবেন। গাছ তলার প্রেম বেশি না, পকেটে দশ টাকার একটা লাল নোট থাকতে হবে। বাদামওয়ালা আসলে দশ টাকার বাদাম কিনবেন। আপনি খাবেন না। বলবেন, পেটের সমস্যা। তাহলে বেশি সময় থাকতে পারবেন। ক্যাম্পাস প্রেম প্রেমিকার বডি গার্ড হতে হবে। শুধু রাতে ছাড়া। ধরেন ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি, মার্কেটে যাওয়া, বিকালে হাত ধরে হাঁটা, সার্বক্ষণিক পাশে পাশে থাকতে হবে। পার্কের প্রেম অতি চালাক হতে হবে। চালাক হলে স্রেফ আপনার টাকা বাঁচবে। পার্কের মধ্যে সব জিনিসের দাম বেশি। পার্কে অবস্থানকালীন কিছু কিনবেন না। আপনার প্রেমিকা যা যা পছন্দ করে তা বাইরে থেকে আগে কিনে নেবেন। এক সময় তার হাতে সেসব দিয়ে বলবেন তোমার জন্য। সে মহা খুশি হবে। ভালোবাসাও বেড়ে যাবে। মহল্লার প্রেম মহল্লার ভিতরে কোনো মেয়ের প্রেমে পড়লে একটু সমস্যা হয়ে যেতে পারে যদি প্রেমিকার বড়ভাই টাইপ কিছু থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রেমিকার চেয়ে বড়ভাইয়ের মন জয় করুন।

প্রেমিকা থাকার যত অসুবিধা

প্রেমিকা থাকার সুবিধা অনেক থাকলেও অসুবিধা কিন্তু কম নয়।  সে অসুবিধা গুলো কি আসুন পড়ে নিই.. আপনার নিজের অ্যাসাইনমেন্ট’তো আছেই, পাশাপাশি গাধারখাটুনি দিয়ে করে দিতে হয় প্রেমিকার অ্যাসাইনমেন্ট। তা ছাড়া প্রেমিকার কলিজার টুকরো কোনো বান্ধবী থেকে থাকলে, তারও অ্যাসাইনমেন্ট করে দিতে হয়। কেননা, প্রেমিকার সঙ্গে ঝগড়া লাগলে সমঝোতার জন্য প্রেমিকার বান্ধবী হস্তক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। রিকশা ভাড়া, রেস্টুরেন্টে গিয়ে বিল দেওয়া, এমনকি প্রেমিকার খাওয়া বাদামের অবশিষ্ট আবর্জনাগুলোও প্রেমিকের পকেটে রাখতে হয়। প্রেমিকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিউশন ফি দিতে হয়। পাশাপাশি রিকশা খুঁজে দেওয়ার ব্যাপারটা নাইবা বললাম। কেননা, এটা প্রেমিকদের জন্য অলিখিত বাধ্যতামূলক কাজ। ভার্সিটিতে যাওয়ার পর সব সময় প্রেমিকাদের নজরদারিতে থাকতে হয় প্রেমিকদের। চাইলেও মন খুলে এদিক-ওদিক থাকার কোনো নিয়ম নেই। মেয়েদের সাথে কথা বলা তো দূরের কথা, নিয়মের বাইরে প্রেমিকার কালো তালিকাভুক্ত কোনো ছেলের সাথে কথা বললে ব্রেকাপের হুমকি চলে আসলে প্রেমিকদের অবাক হওয়ার কিছু নাই।

গ্রালফ্রেন্ড এখন আমার চাচি!

১ম বন্ধু : দোস্ত, আমি যে মেয়েটাকে ভালোবাসতাম; সে পরে আর আমাকে বিয়ে করেনি! ২য় বন্ধু : হায় হায়, কেন? তুই বলিসনি যে তোর চাচা কোটিপতি? ১ম বন্ধু : হ্যাঁ, বলছিলাম তো। ২য় বন্ধু : তাহলে? ১ম বন্ধু : সে জন্যই সে এখন আমার চাচি। ২য় বন্ধু : তোর কপাল তো ভালো যে তুই বলিসনি, তোর বাবা কোটিপতি!

কেমন গাইলাম

গান গেয়ে মলির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করল জলিল। তারপর গদগদ স্বরে বলল, প্রিয়তমা, কেমন গাইলাম বলো তো? মলি: তোমার তো টেলিভিশনে গান গাওয়া উচিত। জলিল: সত্যি?! মলি: হ্যাঁ। সে ক্ষেত্রে আমি অন্তত টিভিটা বন্ধ করে দিতে পারব।

আমি তোমার হাতটা ধরে একটা চুমু খাই

নির্জন পার্ক। ভীরু প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে এক বেঞ্চে বসে আছে। এমন সময় চারদিক ভালো করে দেখে নিয়ে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে আমতা-আমতা করে বলল, ইয়ে মানে .... এই অন্ধকারে যদি আমি তোমার হাতটা ধরে একটা চুমু খাই ... তুমি কি রাগ করবে? না, তোমাকে ছিঁচকে চোর বলব। কেন? কারণ, তুমি হলে গিয়ে সেই চোর যে পুরো একটা গাড়ি চুরি করার সুযোগ পেয়েও শুধু টায়ার চুরি করতে চায়।

থাপ্পর

ছেলে: আই লাভ ইউ। মেয়ে: (ঠাস করে থাপ্পর মেরে ) কী বললি শয়তান ? ছেলে: (ঠাস ঠাস করে দুটো থাপ্পর মেরে) শুনতেই যখন পারস নাই, তাইলে থাপ্পর মারলি কেন হারামজাদি?

স্ত্রী জন্য পরীক্ষা

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে। সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি। যে জিতবে লিন্ডা তার হবে । বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল । পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে । বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল । ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে । সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই ।

 1 2 3 > 
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে