Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> General

শক্তিশালী দুটি নেটওয়ার্ক

শিক্ষক: পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি নেটওয়ার্ক কী? ছাত্র: ফিমেল আর ইমেল।  শিক্ষক: বুঝিয়ে বল। ছাত্র: দুটিই নিমেষে এদিকের সমস্ত খবর ওদিকে ছড়িয়ে দিতে পারে।

স্ত্রীর ছোঁয়ায় মাথা ব্যথা দূর

মধু: কি ব্যাপার জদু, আজ চুপচাপ? জদু: হেই দুপুর থেকে মাথাটা ধইরা রইসে। মধু: বাম লাগিয়েছেন? জদু: হ, বাম লাগাইছি, ওষুধও খাইছি, মাথা ধুইয়া দেখছি, নাকে পানি টাইনা দেখছি। কিছুতেই কিছু হইতাছে না। মধু: আমারও একবার এই রকম মাথা যন্ত্রণা হচ্ছিল। কিছুতেই কমে না। শেষে বউয়ের কোলে মাথা রেখে শুলাম। বউ মিনিট পনেরো চুলে বিলি কেটে, শাড়ির আঁচলের বাতাস দিতেই সব যন্ত্রণা দূর হয়ে গেল। জদু: কন কি, তাই নাকি? মধু: তবে আর বলি কি? একেবারে ম্যাজিক। জদু: তা কখন গেলে আপনার বউরে বাড়িতে পাওয়া যাইব?

আমায় জড়িয়ে ধর

গুরুদেবের কাছে এক শিষ্য এসেছে। গুরুদেব, মনে বড় অশান্তি। আমি যখন বাড়িতে থাকি না, তখন কে যেন এসে আমার স্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ ভাবে সময় কাটায়। তাকে না ধরা পর্যন্ত শান্তি নাই। আমি তাকে ধরতে চাই। – ধরিয়ে দেয়াই তো আমার কাজ। দেব ধরিয়ে। দে আগে হাজার টাকা প্রণামী দে। হাজার টাকা দিতেই গুরুদেব সে টাকা ট্যাকে গুজে বলল, নে এবার তাহলে আমায় জড়িয়ে ধর।

লক্কড়ঝক্কড় গাড়িতে বিছানা আছে!

শফিক সাহেব একজন কোটিপতি। দামি গাড়ি তাঁর। একদিন ট্রাফিক সিগন্যালে তাঁর গাড়ির পাশে এসে দাঁড়াল লক্কড়ঝক্কড় মার্কা একটা গাড়ি। পাশের গাড়ির ড্রাইভার জানালা দিয়ে মাথা বের করে বলল, ‘তোমার গাড়িতে কি টেলিফোন আছে?’ শফিক সাহেব বললেন, ‘নিশ্চয়ই’। ড্রাইভার: হু। আমার গাড়িতেও আছে। আচ্ছা, তোমার গাড়িতে কি ফ্যাক্স মেশিন আছে। শফিক: আছে। ড্রাইভার: আমার গাড়িতেও আছে। আচ্ছা, তোমার গাড়ির পেছনে কি বিছানা আছে, আয়েস করে ঘুমানোর মতো? শফিক: না তো! ড্রাইভার: আমার গাড়িতে আছে। শফিক সাহেবের আঁতে ঘা লাগল। একটা লক্কড়ঝক্কড় গাড়িতে বিছানা আছে, আর তাঁর গাড়িতে নেই! এ হতে পারে না। দোকানে গিয়ে তিনি তাঁর গাড়ির পেছনে একটা সুন্দর দামি বিছানা বসিয়ে নিলেন। এবার এক হাত দেখে নেওয়া যাবে সেই পাগলা ড্রাইভারকে। একদিন শফিক দেখলেন, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে সেই গাড়িটা। গাড়ির ভেতরে কিছু দেখা যাচ্ছে না। শফিক জানালায় টোকা দিলেন। সাড়া নেই। বেশ কয়েকবার টোকা দেওয়ার পর জানালা খুললেন সেই ড্রাইভার। লোকটার গায়ে একটা তোয়ালে জড়ানো। বিরক্ত ভঙ্গিতে বললেন, ‘কী চাই?’ শফিক: দেখো, আমার গাড়িতে কি সুন্দর শোয়ার ব্যবস্থা করেছি। ড্রাইভার: ধুত! তোমার এই ফালতু কথা শোনার জন্য আমাকে গোসলখানা থেকে বের হতে হলো!

আপনি এখন আসতে পারেন......

প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা? প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা। প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী? প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন। প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী? প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন। প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন? প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে। প্রশ্নকর্তা: এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে? প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে। প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন? প্রার্থী: উমম…আমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন? প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।

মোবাইল সিম খেয়ে ফেললে কী হয়?

নারী: হ্যালো! এটা কি অমুক ফোনের কাস্টমার কেয়ার?  কাস্টমার কেয়ার: হ্যা! ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।  নারী: আমার ছেলে আমার মোবাইলের সিমটা খেয়ে ফেলেছে।  কাস্টমার কেয়ার: আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?  নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।  কাস্টমার কেয়ার: তাতে কি?  নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!

বাসের সিট নিয়ে দুই নারীর ঝগড়া

বাসে খালি সিটে বসা নিয়ে দুই নারী ঝগড়া করছিলেন। কন্ডাক্টর কোনো যুক্তিতেই কাউকেই দমাতে পারছিল না। শেষে একটা সরল বুদ্ধি এলো তার মাথায়- কন্ডাক্টর: দুই আপারেই কইতাছি, আপনাগোর মধ্যে যিনি বয়সে বড় তিনি বসে যাবেন সিটে! এ কথার পর দুই নারীর কেউ-ই আর বসলেন না। সারা পথ তারা দাঁড়িয়ে পার করলেন। পেটের ভেতর স্মার্ট সমস্যা চিকিৎসক: কি কি সমস্যা হচ্ছে বলেন। বল্টু: পেটে অনবরত ভাইব্রেশন আর থেকে থেকে নতুন নতুন রিংটোন শোনা যাচ্ছে। আনলিমিটেড আউটগোয়িং হচ্ছে বিরতিহীন, রিচার্জ করি আর পেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়। পাঁচ মিনিটেই ডিসচার্জ হয়ে যাচ্ছে রিচার্জ করা ব্যালেন্স! মিসকল দিতে গেলেও কল রিসিভ হয়ে যাচ্ছে। বারবার এজন্য কাভার মানে জামা পাল্টাতে হচ্ছে। বড় কষ্টে আছি। চিকিৎসক: আপনার যা অবস্থা, তাতে ফ্যাক্টরি সেটিং দেওয়া ছাড়া তো উপায় দেখতেছি না! মন্ত্রী হতে চান আর কি! পল্টু: আমিও চাই, আমার বাবার মতো মন্ত্রী হতে! প্রতিবেশী: কী বলছো পল্টু! তোমার বাবা আবার মন্ত্রী ছিলেন কবে? পল্টু: না, তিনিও মন্ত্রী হতে চান আর কি! এমএ/ ০৬:১১/ ১০ নভেম্বর

তিন কৃপণের গল্প

বিশ্ববিখ্যাত কৃপণ ছিলেন ভবেশবাবুর বাবা। তিনি যখন মৃত্যু শয্যায় তখন ছেলেকে বলে যান, ‘আমি তো আর থাকবো না; তবে যদি কখনো কোনো বিষয়ে কোনো পরামর্শের প্রয়োজন হয়, আমার এক কৃপণ বন্ধু আছে, তার নাম হর কুমার, তার কাছ থেকে পরামর্শ নিবি।’ ভবেশের বাবার মৃত্যু হলো। পরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটা ব্যাপারে ভবেশবাবু পরামর্শ নিতে একদিন সন্ধ্যার পর পিতৃবন্ধু হর কুমারের কাছে গেলেন। কাকা হরকুমার ভবেশকে সাদরে ঘরে নিয়ে বসালেন। এসময় হর কুমার বললেন, ‘কথা বলতে তো আর আলোর প্রয়োজন নেই, তাহলে বাতিটি নিভিয়ে দেই। হর কুমার বৈদ্যুতিক বাতিটি নিভিয়ে দিলেন।’ কথাবার্তা শেষে ভবেশবাবু যখন উঠতে যাবেন, তখন হর কুমার বললেন, ‘দাঁড়াও, বাতিটা এবার জ্বালিয়ে দেই, নইলে তুমি বেরুবার রাস্তা দেখতে পাবে না।’ ভবেশ তখন বললেন, ‘একটু দাঁড়ান কাকা, আমি লুঙ্গিটা পরে নেই।’ হর কুমার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘মানে? তুমি কি এতক্ষণ লুঙ্গি না পরা অবস্থায়ই আমার সঙ্গে কথা বলছিলে?’ ভবেশ বললেন, ‘আজ্ঞে কাকা! অন্ধকার ঘরে লুঙ্গি পরে সেটার অপচয় করে কী লাভ? খুলে রাখলে বরং লুঙ্গিটার পরমায়ু অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা তো বাড়বে!’ এমন জবাব শুনে হর কুমার বাবুর হার্ট অ্যাটাকের দশা হলো! হতাশ কণ্ঠে বললেন, ‘তুমি কেন অযথা আমার কাছে পরামর্শ নিতে এসে সময়ের অপচয় করলে? তুমি তো ইতোমধ্যেই আমাকে ছাড়িয়ে গেছো, বাপু।’

অফিসের ফোন

এক মাসে বাসার ফোনবিল অস্বাভাবিকভাবে বেশি এল। বাসায় জরুরি মিটিং বসল। বাবা বলল, ‘আমি গত মাসে বাসার ফোনটা একবারও ধরিনি। আমি সব ফোন করেছি অফিসের ফোন থেকে।’ তখন মা এসে বলল, ‘আমিও গত মাসে কোনো ফোন বাসা থেকে করেছি বলে মনে হয় না। আমার সমিতির অফিসের ফোনটাই আমি ব্যবহার করি।’ একমাত্র ছেলে এসে বলল, ‘আমার তো বাসা থেকে ফোন করার প্রশ্নই আসে না। কোম্পানি আমাকে মোবাইল বিল দেয়। আমি অফিসের সেই মোবাইল ব্যবহার করি।’ এরপর বাসার কাজের মেয়ে এসে বলল, ‘তাহলে তো কোনো সমস্যাই দেখি না। আমরা সবাই যার যার অফিসের ফোন ব্যবহার করি!’

একটু নামেন, ধাক্কা দিতে হবে

একজন বাস ড্রাইভার আর এক পাইলট বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছিল— বাস ড্রাইভার: আমি মাঝে মাঝে আমার যাত্রীদের খাটিয়ে নিতে পারি। কিন্তু তুই পারিস না। পাইলট: কী রকম? বাস ড্রাইভার: তুই কি মাঝপথে প্লেন থামিয়ে বলতে পারবি, ‘ভাইয়েরা, একটু নামেন, ধাক্কা দিতে হবে?’

দরজার বাইরে কোনো পাপোশ নেই

অফিসে সিদ্দিক সাহেবের প্রথম দিন। বস: আমাদের অফিসে একটি ব্যাপারে আমরা খুবই গুরুত্ব দিই, তা হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। তুমি নিশ্চয়ই আমার ঘরে ঢোকার আগে পাপোশে জুতা মুছে ঢুকেছ? সিদ্দিক: অবশ্যই স্যার। বস: আরেকটি ব্যাপারে আমরা আরও বেশি কঠোর। তা হলো সততা। দরজার বাইরে কোনো পাপোশ নেই, ইডিয়ট!

লোকটা যে উকিল ছিল প্রথমে বুঝতে পারিনি...কেন!?…

ভিড় রাস্তায় এক উকিলের সাইকেলের মাডগার্ডে লেগে ভবেশবাবুর ধুতি ছিঁড়ে গেলো ! ভবেশবাবু সাথে সাথে উকিলকে হাত ধরে সাইকেল থেকে নামিয়ে বললেন -যাচ্ছেন কোথায়? আমার ধুতির দাম দিয়ে যান! উকিল জিজ্ঞেস করলেন -ধুতির কত? ভবেশবাবু বললেন ২০০ টাকা।  উকিল ভালোমানুষের মতো পকেট থেকে দুশো টাকা বের করে দিয়ে দিলেন! এবার ভবেশবাবু খুশিমনে দুশো টাকা পকেটে পুরে যেই রওয়ানা হবেন, উকিল মহাশয় তার হাত চেপে ধরে বললেন -যাচ্ছেন কোথায়? আগে আমার ধুতি খুলে দিয়ে যান! ধুতির দাম দিয়ে দিয়েছি, এখন এই ধুতি আমার। ভবেশ বাবুর চোখ কপালে! উকিলের ‘আব্দারে’ তিনি ক্ষেপে উঠলেন। কিন্তু আইনওয়ালা নাছোড় বান্দ। ধুতিটি না নিয়ে যাবেন-ই না। হৈ চৈ শুনে তখন সেখানে বেশ কিছু লোক জমে গেছে, তারাও ন্যায় বিচারে ব্যস্ত হলেন এবং বিস্তর বুদ্ধি খাটিয়ে ভবেশ বাবুকে বললো-  -উনি যখন আপনাকে ধুতির মূল্য দিয়ে দিয়েছেন, তাহলে তো উনি এখন ধুতির মালিক; আপনি ধুতি খুলে উকিলবাবুকে দিয়ে দিন! ক্রদ্ধ ভঙ্গিতে ভবেশবাবু বললেন -উনাকে ধুতি দিয়ে দিলে আমি কি এই লোকভরা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে ঘরে যাবো? জাবাবটা দিলেন উকিল- -অতশত জানি না, বুঝিও না। শুধু জানি ধুতিটি আমার কেনা এখন। আপনি আমার ধুতি আমাকে দিয়ে যান। এমন গ্যারাকলে জড়িয়ে ভবেশবাবুর ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার মতো অবস্থা হলো ক্রোধে। কিন্ত শেষে বাধ্য হয়ে বললেন -আপনি আপনার দুশো টাকা ফেরত নিয়ে নিন, আমি ছেঁড়া ধুতিতেই কোনমতে বাড়ি ফিরতে পারবো। কিন্তু উকিল বললেন -আমার ধুতি আমি দুই হাজার টাকার কমে বেচবো না, লাগলে বলুন! কি আর করা! ভবেশবাবু উল্টো নিজের গাঁটের দুই হাজার টাকা দিয়ে ছেঁড়া ধুতিতেই ঘরে ফিরলেন। ফেরার পথে শুধু ঠোঁট কামড়ালেন একথা মনে করে- -লোকটা যে উকিল ছিল আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি...কেন!?

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে