Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Police & Thief

চুরি করা গাড়ি

এক গাড়িতে বল্টু তার ফ্যামিলি নিয়ে যাচ্ছে। বল্টুর বাবা পিছনের ছিটে ঘুমাচ্ছে আর মা বল্টুর পাশে বসা। হঠাৎ রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ থামিয়ে বলল- পুলিশ : আজ সুরক্ষা সপ্তাহ। আপনি বেল্ট পরে গাড়ি চালাচ্ছেন, তাই সরকার আপনাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দিবে। আপনি এই পুরস্কার দিয়ে কী করবেন? বল্টু : প্রথমে আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাবো। তখন বল্টুর মা বলল- মা : ওর কথা বিশ্বাস করবেন না স্যার। নেশা করে যা খুশি তাই বলে! পুলিশের কথা শুনে বল্টুর বাবা ঘুম থেকে উঠে- বাবা : আরে বল্টু আমি আগেই বলছিলাম, চুরি করা গাড়ি নিয়ে আমরা বেশি দূর যেতে পারবো না।

লজ্জা করে না...

 (১) চুরির দায়ে গ্রেপ্তার আসামি কাঠগড়ায় দাঁড়ানো, আইনজীবী তাকে জেরা করছে। আইনজীবী: বাড়ির মালিকের চোখের সামেন দিয়ে দিনদুপুরে কীভাবে ল্যাপটপ চুরি করে পালালে তুমি! আসামি: হুজুর আপনারা অনেক বড় কাজ  করেন, মাইনেও অনেক বেশি। হুদাই আমাগো কায়দা-কৌশল জাইনা কী করবেন?  (২) আসামিকে বিচারক: এই কাঠগড়ায় গত ৩ বছরে তোমাকে ৬ বার দেখলাম। লজ্জা করে না... আসামি দুই হাতে কান ধরে জিভে কামড় দিয়ে বললো: হুজুর, আমার কী দোষ! আপনার প্রমোশন না হইলে...     (৩) বাচ্চা: মা মা, আমি আর স্কুলে যাবো না। মা: কেন বাবা! পড়াশোনা ভাল লাগে না? বাচ্চা: ভাল লাগে। মা: তবে! টিচার বকেছেন? বাচ্চা: না মা। টিচার বকে না। তবে তিনি কিছুই পড়াতে পারেন না। মা: সে কী! বাচ্চা: হ্যাঁ মা! উনি সব প্রশ্নের উত্তর শুধু আমাদেরকে দিতে বলেন। নিজে কিছু জানলে কি এত প্রশ্ন করে কেউ, বল?

ডিজিটাল চোর

একটা চোর চুরি করতে গিয়ে সেলফি তুলে পোস্ট করল, এই মাত্র চুরি করতে ঢুকলাম। বাড়ির মালিক পোস্টে লাইক করে কমেন্ট করল, ভেবনা আমরা ঘুমিয়ে পড়ছি। আমরা জাগ্রত আছি, পুলিশকে খবর দেয়া হয়ে গেছে,,তাড়া গাড়ি নিয়ে আসছে। বাড়ির মালিকের কমেন্টে পুলিশ ইন্সপেক্টর আবুল কমেন্ট করল গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে আমরা হেঁটে হেঁটে আসছি।

গাধা ডাকাত

একজন ডাকাত একটা ব্যাঙ্কে ঢুকে ক্যাশিয়ারকে একটা চিরকুট দিয়ে বললো, "মামা, চিরকুটে যেরকম লেখা আছে, ঠিক সেরকমই করো!" ক্যাশিয়ার ডাকাতের দেওয়া ব্যাগ টাকা দিয়ে পুরো ভর্তি করে দিলো, আর ডাকাতও মহানন্দে টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ি চলে গেলো।  কিন্তু বাড়ি ফিরেই ডাকাত দেখলো যে ওর বাড়ি পুলিশ পুরো ঘিরে রেখেছে। ব্যাপারটা হলো, যে ডাকাতবাবু যে কাগজে নিজের দাবী লিখেছিলো সেটা তারই ব্যাঙ্কের ডিপোজিট স্লিপ!

পুলিশের দক্ষতা

কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। জাপানী পুলিশ : যে কোন ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের ৭২ ঘন্টা সময় লাগে। বৃটিশ পুলিশ : আরে দূর আমরা দুনিয়ার সেরা পুলিশ । অন্যায় কারীকে চিনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় লাগে । আমেরিকার পুলিশ : আমারাও ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন ক্রিমিনালকে পাকড়াও করতে পারি। বাংলাদেশের পুলিশ : আমাদেরকে না জানিয়ে কোন ঘটনাই ঘটে না।

বুঝলেন কী করে

শার্লক হোমস: আপনার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, তাই না? মক্কেল: হুঁ। শার্লক হোমস: আপনি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন, তাই তো? মক্কেল: হুঁ! কিন্তু আপনি এত কিছু বুঝলেন কী করে? শার্লক হোমস: কারণ, আপনার মাথায় ভাঙা ফুলদানির টুকরা দেখা যাচ্ছে!

২১২ নম্বর রাস্তা

হাইওয়েতে জলিল সাহেবের গাড়ি আটক করল পুলিশ। কর্তব্যরত সার্জেন্ট ধমক দিয়ে বললেন, ‘ব্যাপার কী? আপনি এত আস্তে গাড়ি চালাচ্ছেন কেন?’ জলিল: রাস্তার শুরুতে দেখলাম, ওপরে বড় করে লেখা ২০। ভাবলাম, এই রাস্তার সর্বোচ্চ গতিসীমা নিশ্চয় ২০। তাই… সার্জেন্ট: ওরে বোকা, এটা ২০ নম্বর রাস্তা। কিন্তু কথা হচ্ছে, আপনার গাড়ির পেছনের সিটে বসা দুজন এমন ভয়ার্ত চোখে চেয়ে আছে কেন? চুল খাড়া হয়ে আছে, দাঁতকপাটি লাগার দশা। ঘটনা কী? জলিল: না মানে, একটু আগে ২১২ নম্বর রাস্তা দিয়ে এলাম তো  

পরিচয়পত্র

এক পকেটমার বলছে আরেক পকেটমারকে, ‘তুই যে একটু আগে “হ্যাললো…” বলে এক লোককে খুব আন্তরিকভাবে জড়িয়ে ধরলি, সে কে? নাম কী তার?’ : কী যেন! আমি কি নাম জানি নাকি? দেখি, তার মানিব্যাগে নিশ্চয় পরিচয়পত্র আছে।

নারী চরিত্র বনাম গোয়েন্দা

গদা: আচ্ছা পদা, বলতো গোয়েন্দারা সাধারণত প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে থেকে দূরে থাকে কেন? পদা: নারী চরিত্র বেজায় জটিল, কিছুই বুঝতে পারবে না।

চোরের সর্দারের উপদেশ

ভাগ-বাটোয়ার জন্যে কয়েকজন চোর মিলে সারারাতের চুরির টাকা হিসাব করছে। হিসাব করার সময় একজন চোর একখান হাজার টাকার নোট সরিয়ে ফেলতে গিয়ে ধরা পড়েছ। তখন চোরের সর্দার সেই ধরা পড়ে যাওয়া চোরটিকে তিরস্কার করছে: এই তোরে না একদিন কইছি ভালো হইয়া যা, ভালো হইতে পয়সা লাগে না? জীবনে সততার সাথে কাজ করবি, উন্নতি করতে পারবি। চুরি-চামারি করবি তো জীবন শেষ।  

পুলিশের দক্ষতা

কোন দেশের পুলিশের দক্ষতা কেমন সেই নিয়ে কয়েক দেশের পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। জাপানী পুলিশ : যে কোন ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটা জানতে আমাদের ৭২ ঘন্টা সময় লাগে। বৃটিশ পুলিশ : আরে দূর আমরা দুনিয়ার সেরা পুলিশ । অন্যায় কারীকে চিনতে আমাদের সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় লাগে । আমেরিকার পুলিশ : আমারাও ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন ক্রিমিনালকে পাকড়াও করতে পারি। বাংলাদেশের পুলিশ : আমাদেরকে না জানিয়ে কোন ঘটনাই ঘটে না।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে