Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Office

কুন বাপরে ডাকুম, স্যার!

ফুটানি দেখানো স্বভাবের হঠাৎ বড়লোক শাহীন সাহেব কাজের ছেলে রতনকে নির্দেশ দিচ্ছেন, এখন থেকে মেহমান আসলে তাদের সামনে আমি যদি বলি ব্লেজারটা নিয়ে আয়, তুই তখন জিজ্ঞেস করবি- স্যার কোনটা আনবো? জার্মানিরটা, ফ্রান্সেরটা না আমেরিকানটা? রতন: জ্বে, স্যার। বলবো।  মনিব: শোন, শুধু ব্লেজার-ই না, টাই, জুতা, পারফিউম যা-ই বলি তুই এমন বিদেশি নামগুলো দিয়ে প্রশ্ন করবি। খবরদার ভুলে যেন না যাস! রতন: জ্বে স্যার, ভুলবো না পরদিন একলোক এসে শাহীন সাহেবের কাছে তার বাবার খোঁজ করলো। তাকে ড্রয়িং রুমে বসিয়ে জোরে হাঁক ছাড়লেন, শাহীন সাহেব রতন, রতন! বাবাকে ডাক! স্যার, আপনের কুন বাপরে ডাকুম! আমরিকার, জার্মানির, ফ্রান্সের না… অ্যাঁ! হারামজাদা! তোর কি মাথা খারাপ হইছে… স্যার! আপনে-ই না কইলেন হেইদিন...

এক্সকিউজ মি ম্যাম

অফিসে নতুন যোগ দেওয়া সুন্দরী অথচ দেমাগী কলিগকে নিয়ে সবাই পেরেশান- কারণ, খবর রটেছে তিনি খুব মেজাজি। আগের অফিসে.... তবে মন্টুর বাপ বিষয়টিতে তেমন বিচলিত নয়। যেমন, সেদিন সেই আপুকে গিয়ে বললো: এক্সকিউজ মি, ম্যা’ম! সুন্দরী: জ্বী বলুন... মন্টুর বাপ: আপনাকে কি একটু বিরক্ত করতে পারি কয়েক সেকেন্ডের জন্য? হাতের কাজ ফেলে মন্টুর বাপের দিকে তাকিয়ে সুন্দরী বললো: অফ কোর্স! কেন নয়? বলুন, আপনার জন্য কী করতে পারি? মন্টুর বাপ: না, কিছু না। আপনাকে আসলেই বিরক্ত করতে এসেছিলাম। ধন্যবাদ! 

কুন বাপরে ডাকুম, স্যার!

ফুটানি দেখানো স্বভাবের হঠাৎ বড়লোক শাহীন সাহেব কাজের ছেলে রতনকে নির্দেশ দিচ্ছেন, এখন থেকে মেহমান আসলে তাদের সামনে আমি যদি বলি ব্লেজারটা নিয়ে আয়, তুই তখন জিজ্ঞেস করবি- স্যার কোনটা আনবো? জার্মানিরটা, ফ্রান্সেরটা না আমেরিকানটা? রতন: জ্বে, স্যার। বলবো।  মনিব: শোন, শুধু ব্লেজার-ই না, টাই, জুতা, পারফিউম যা-ই বলি তুই এমন বিদেশি নামগুলো দিয়ে প্রশ্ন করবি। খবরদার ভুলে যেন না যাস! রতন: জ্বে স্যার, ভুলবোনা পরদিন একলোক এসে শাহীন সাহেবের কাছে তার বাবার খোঁজ করলো। তাকে ড্রয়িং রুমে বসিয়ে জোরে হাঁক ছাড়লেন শাহীন সাহেব রতন, রতন! বাবাকে ডাক! স্যার, আপনের কুন বাপরে ডাকুম! আমরিকার, জার্মানির, ফ্রান্সের না… অ্যাঁ! হারামজাদা! তোর কি মাথা খারাপ হইছে… স্যার! আপনে-ই না কইলেন হেইদিন...

বস ও অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট

পিয়ন মন্টু হঠাৎ এসে জেদের ভঙ্গিতে বসকে বলল : স্যার, আগামীকাল থেকে আমারে এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেবেন। বস : কেন কেন? কী এমন ঘটল যে... মন্টু : স্যার, এক চাকরিতে সংসার চলে না। তাই ঠিক করেছি রাতে রিকসা চালামু। মন্টুর কথায় আবেগে বসের চোখে পানি চলে এলো। তিনি পিয়নকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন : আমিও তো সংসারের খরচ সামলাতে রাতে অন্য 'ধান্ধা' করি। গাড়ির চাকার লিক সারাই আর হাওয়া দেওয়ার ছোট্ট দোকান খুলেছি ধোলাইখালে। তোমার চাকা লিক হলে বা হাওয়া দিতে হলে চলে এসো আমার দোকানে, তোমার জন্য হাফ রেটে..... উঁ উঁ... বস কাঁদতে থাকেন

দাদার বিয়ে

কর্মচারী: স্যার, একটা দিন ছুটি চাই। বস: কেন? আবার কী? কর্মচারী: স্যার, আমার দাদা… বস: আবার দাদা? গত তিন মাসে তুমি চারবার দাদির মৃত্যুর কথা বলে ছুটি নিয়েছ। কর্মচারী: স্যার, এবার আমার দাদার বিয়ে!

অসুস্থতা

অফিসের বড় কর্তা ও মন্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে— বড় কর্তা: আচ্ছা আপনি আগের চাকরিটা ছেড়ে দিলেন কেন? মন্টু: অসুস্থতার জন্য, স্যার। বড় কর্তা: তা কী হয়েছিল আপনার? মন্টু: আরে আমার তো কিছুই হয়নি। ওই অফিসের বড় কর্তাই তো আমার কাজে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, মানে তার প্রায় মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হয়েছিল স্যার।

এমএস অফিস

পল্টুর অফিসে প্রথম দিনেই বড় কর্তার সঙ্গে কথা হচ্ছে— বড় কর্তা: আপনি কম্পিউটারে কী কী কাজ জানেন? পল্টু: স্যার, প্রায় সব ধরনের কাজই করতে পারি। বড় কর্তা: আচ্ছা, আপনি এমএস অফিস জানেন? পল্টু: আজই যেতে হবে! তাহলে ওই অফিসের ঠিকানাটা একবার বলে দিলেই আমি খুঁজে বের করতে পারব, স্যার

মফিজের ইনটারভিউ

‘মফিজ’ বেকার লোক। অনেকদিন ধরে চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কিন্ত হচ্ছেনা এক অফিসে ইন্টারভিউ দিতে এসে পরিচিত ‘কুদ্দুস’ এর দেখা পেল। ঘটনাক্রমে তারা দুজনেই ওয়েটিং রুমে অপেক্ষারত। প্রথমে ইন্টারভিউ রুমে কুদ্দুস……… প্রশ্ন ১: মিস্টার কুদ্দুস, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল কখন বলতে পারেন ? কুদ্দুস: স্যার, হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছে ১৯৭১ সালে। প্রশ্ন ২: বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবির নাম বলুন ? কুদ্দুস: অনেকেই তো আছেন, নিদ্রিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ? প্রশ্ন ৩: ঢাকা শহরে যানজটের কারণ কি বলে আপনি মনে করেন ? কুদ্দুস: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়। কুদ্দুস ইন্টারভিউ শেষে চলে যাবার সময় মফিজ জানতে চাইলো কি কি প্রশ্ন করা হয়েছে। কুদ্দুস অন্য কোথাও যাবে তাই তিনটা প্রশ্নের উওর মফিজকে বলে তাড়াতাড়ি চলে গেল। প্রশ্ন গুলো বলা হলো না। এবার ইন্টারভিউ রুমে মফিজ……… প্রশ্ন ১: মিষ্টার মফিজ, আপনার জন্ম কত সালে ? মফিজ: হওয়ার কথা ছিল ১৯৫২ সালে, কিন্তূ হয়েছি ১৯৭১ সালে। প্রশ্ন ২: (প্রশ্নকর্তা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো) আপনার পিতার নাম কি ? মফিজ: অনেকেই তো আছেন, নিদ্রিষ্ট করে কার নাম বলবো স্যার ? প্রশ্ন ৩: (প্রশ্নকর্তা রেগে) আপনার মাথা ঠিক আছে ? মফিজ: এটাতো স্যার গবেষণার বিষয়।

কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি

রেগেমেগে অফিস থেকে বাড়ি ফিরলেন শফিক। শফিকের স্ত্রী বললেন, ‘কী হলো? আজ এত চটে আছো কেন?’ শফিক: আর বোলো না। প্রতিদিন অফিসে যে কর্মচারীর ওপর রাগ ঝাড়ি, সে আজ অফিসে আসেনি। মেজাজটাই খারাপ হয়ে আছে!

দাদার বিয়ে

কর্মচারী: স্যার, একটা দিন ছুটি চাই। বস: কেন? আবার কী? কর্মচারী: স্যার, আমার দাদা… বস: আবার দাদা? গত তিন মাসে তুমি চারবার দাদির মৃত্যুর কথা বলে ছুটি নিয়েছ। কর্মচারী: স্যার, এবার আমার দাদার বিয়ে!

চলছে চাকরির ইন্টারভিউ

বস: আমরা কাউকে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে মাত্র দুইটা নিয়ম মেনে চলি। প্রার্থী: কী কী স্যার? বস: আমাদের দ্বিতীয় নিয়ম হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। আপনি কি এখানে আসার আগে রুমের বাইরে রাখা ম্যাটে জুতার তলা মুছে এসেছেন? প্রার্থী: জি স্যার। বস: আমাদের প্রথম নিয়ম হলো বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে বাইরে কোনো ম্যাটই ছিল না! কাজেই আপনাকে বিশ্বাস করা যাচ্ছে না।

দু সপ্তাহ ছুটি

একদিন এক ক্লার্ক তার এক বন্ধুকে বলল , জানিস কাল থেকে আমার অফিস দু সপ্তাহ ছুটি । বন্ধুটি জানতে চাইল , কি ভাবে ? কাল থেকে আমি এক সপ্তাহ ছুটিতে যাচ্ছি । তার পরের সপ্তাহে আমার বস ছুটিতে যাচ্ছেন।

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে