Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব -> Family

ক্ষুধার্ত আর দুর্বল হতে পারে না

স্ত্রী : আমার এক ব্যাগ পুরনো জামা কাপড় জমে আছে। দান করে দিতে হবে।  স্বামী : দান আবার কাকে করবে! ফেলে দাও না সব।  স্ত্রী :  আরে না। কত ক্ষুধার্ত দুর্বল মানুষ আছে, তাদের কাজে আসতে পারে এসব।  স্বামী : প্রিয়তমা - যারা তোমার সাইজের জামা কাপড়ে ফিট করবে তারা আর যাই হোক, ক্ষুধার্ত আর দুর্বল হতে পারে না।  ... তারপর শুরু হলো থালা ভাঙা - কাঁচ ভাঙা আর কি কি সমস্ত ভাঙাভাঙি'র আওয়াজ!

জামাই-বউ কাব্যিক ঝগড়া

স্বামী : "আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে মৌ... আগে জানলে আনতাম না এমন ঝগড়াটে বউ। " স্ত্রী : "নোটন নোটন পায়রাগুলো ঝোটন বেধেছে... আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে বলেছে?" স্বামী : "ওই দেখা যায় তালগাছ, ওই আমাদের গাঁ বিয়ের আগে ‘বউ’ ছিল লক্ষী মেয়ে; কিছুই চাইতো না!" স্ত্রী : "নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাঁই আর নাহিরে... তোমার মতো কিপটা স্বামী আর দেখি নাই রে। " স্বামী : "মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুঁটি... তোমার মতো দাজ্জাল বউকে এবার দিতেই হবে ছুটি!" স্ত্রী : "তুলি দুই হাত করি মোনাজাত, হে রহিম রহমান... আমার বজ্জাত স্বামীটা আমায়, করে যেন সম্মান!" স্বামী : "আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই... বিয়ের পরে বউয়ের মুখে শুধুই খাই খাই!" স্ত্রী : "ছিপখান তিন দাঁড় বায় তিন মাল্লা... কী আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ!" স্বামী :- "ভোর হলো দোর খোল, খুকুমণি উঠরে.... ভাল যদি না লাগে বাপের বাড়ি ছোটরে!" স্ত্রী : "আগডুম বাগডুম ঘোড়ার ডুম সাজে... আগে বুঝিনি তুমি এত বাজে!" স্বামী : "আয় বৃষ্টি ঝেপে, ধান দেবো মেপে... আর বেশি চিল্লাইলে ধরবো গলা চেপে!" স্ত্রী : "সবার সুখে হাসবো আমি, কাঁদবো সবার দুঃখে... আর বেশি কথা বললে,টেপ মেরে দেব মুখে!" এমএ/১১:০০/২০ নভেম্বর

আপনার স্ত্রীকে কিডন্যাপ করেছি আমরা...

অজ্ঞাত ফোন কল : এটা কি জামাল সাহেবের নম্বর? জামাল : হ্যাঁ, জামাল হোসেন বলছি! আপনি কে বলছেন? অজ্ঞাত ব্যক্তি : আপনার জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে, স্যার... জামাল : হায় হায়! কী দুঃসংবাদ! তাড়াতাড়ি বলেন...হায় খোদা! অজ্ঞাত ব্যক্তি : আপনার স্ত্রীকে কিডন্যাপ করেছি আমরা। জ্যান্ত ফেরত পেতে চাইলে ৫০ লাখ... জামাল : বিশ্বাস করি না। তাকে কেউ কিডন্যাপ করতে পারে না! তার মতো একটা বাঘিনীকে... অজ্ঞাত ব্যক্তি : সম্মান কইরা কথা কইছি বইলা বেশি ফাল পাড়বার লাগছোস! তোর বউয়ের আঙুল কাইট্টা পাঠামু! তারপর বিশ্বাস করবি? জামাল : সাহস থাকে তো ওর মুণ্ডুটা কেটে পাঠা... দেখব নে তুই কত বড় টেরর... জামালের এই জবাবে কিডন্যাপার দলের বসের হাত থেকে ফোন পড়ে গেল। সে জ্ঞান হারাল। এমএ/ ০৩:৫০/ ২৫অক্টোবর

 আমার স্বামী সব ভুলে যায়

দুই নারীর মধ্যে কথা হচ্ছে- ১ম নারী : জানিস, আমার স্বামী খুব ভুলোমনা। ২য় নারী : কেন? ১ম নারী : ধর, ওকে আলু আর পটল আনতে বললাম, ও কাঁচামরিচ আর আদা নিয়ে চলে আসে। ২য় নারী : আমার স্বামী তো সব ভুলে যায়। ১ম নারী : কেন? ২য় নারী : সেদিন অফিসে যাবো বলে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি, হঠাৎ ও এসে হাজির। অনেকক্ষণ আমার দিকে চেয়ে থেকে বলল, ‘আপনি কে বলুন তো? খুব চেনা চেনা লাগছে আপনাকে! এমএ/ ০৯:০০/ ২৪ অক্টোবর

বালিশ দিস নাই কে

এক লোকের প্রচুর শখ হয়েছে একদিন তার বউকে ইচ্ছামত পিটাইবে। কিন্তু বিনা কারণে তো আর মারা যায় না। তাই তিনি দোষ খুঁজতে লাগলেন। কিন্তু বউয়ের কোন দোষ খুজে পাওয়া গেলনা। একদিন তিনি বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে আসলে দেখতে পেলেন বাড়ির বারান্দায় একটা কুকুর শুয়ে আছে।  তাই দেখে তিনি লাঠি নিয়ে বউকে ইচ্ছামত পিটালেন।  ইচ্ছামত পেটানোর পর বউ এসে কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করল : -- তুমি আমাকে মারলা কেন? আমি কি দোষ করেছি?? স্বামী বলল : আরে হারামজাদী কুত্তাটা এতক্ষণ বারান্দায় শুইয়া আছে,তারে বালিশ দিস নাই কে!

বাঙালির ভালোবাসা- বড় আজব এক খেলা!

নবদম্পতি খোশগল্প করছে। নববধূ খুশিতে বাগবাগ।   নববধূ : শোনো জানু, সপ্তাহের সাতটি দিন আমরা সাতভাবে কাটাব- মানে বেড়াব!  বর : অবশ্যই! নববধূ : তুমি কোনো বাধা দিতে পারবা না, কোনো অজুহাত চলবে না! বর : ঠিক আছে। নববধূ : সপ্তাহে অন্তত একদিন মার্কেটিংয়ে নিবা আমারে। এর বাইরে শনিবার আমরা মহল্লার চটপটি দোকানে ফুচকা-চটপটি খাব, রবিবার রাতে বিরিয়ানি-মোগলাই খাবার, সোমবার কাবাব-বারবিকিউ, মঙ্গলবার মেক্সিকান আর স্প্যানিশ ডিশ, বুধবার ইতালিয়ান আর চাইনিজ, বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান আর দেশি হলেও চলবে... বর : আর শুক্রবার আমরা গুলিস্তানে গোলাপশাহ মাজারের সামনে যাব! নববধূ : কেন? কেন? ওখানে কেন? বর : ভিক্ষা করতে। কারণ, তোমার সপ্তাহের খরচ তো তুলতে হবে...

গতকাল বাবাও তাই করেছিল...

ছেলেটা খুব লাজুক হয়েছে। নতুন লোকজনের সামনে জড়তা কাটে না তার। এমন অবস্থা দূর করতে মা নানান চেষ্টা করেন। সেদিন বাসায় নতুন টিউটর যোগ দিয়েছেন। ছেলে গুঁটিসুটি হয়ে রয়েছে। পরদিন মা বিশেষ একটা কৌশল খাটালেন। ছেলেকে আদুরে গলায় বললেন: বাবা আমার, যাও তো দেখি এক দৌড়ে তোমার নতুন মিসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ! অমন করি আর বাবার মতো চড় খাই আর কি! মা: মানে? ছেলে: গতকাল বাবাও তাই করেছিল! আর সঙ্গে সঙ্গে মিস...

আব্বু-আম্মু ঝগড়া করছিল

এক ছাত্রী ক্লাসে দেরি করে এসেছে। তাই শিক্ষক রেগে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো-  শিক্ষক : তোমার আসতে এতো দেরি হলো কেন? ছাত্রী : কী করে যে বলি স্যার! শিক্ষক : জবাব দাও। না হলে পিটিয়ে পিঠের চামড়া তুলে নেবো। ছাত্রী : স্যার, আমার আব্বু-আম্মু ঝগড়া করছিল। শিক্ষক : তো তার সাথে তোমার স্কুলে দেরি করে আসার সম্পর্ক কী? ছাত্রী : সম্পর্ক আছে স্যার।  শিক্ষক : তারা ঝগড়া করুক, তুমি চলে আসতে। ছাত্রী : সেটা কিভাবে হয় স্যার?  শিক্ষক : কেন? ছাত্রী : ঝগড়া করার সময় আমার একটা জুতা আব্বুর হাতে আরেকটা জুতা আম্মুর হাতে ছিলো!

মানত করেছিলাম

স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য চলছে বেশ কিছুদিন, কিছুতেই সমঝোতা হচ্ছে না দুজনে। স্ত্রী: আমি বাপের বাড়ি চললাম, তুমি থাক তোমার ঘর নিয়ে। মুচকি হাসি দিয়ে স্বামী বললো: আমিও বের হচ্ছি! বিদ্রুপের হাসি দিয়ে স্ত্রীও বলল: তুমিও কি বাপের বাড়ি যাচ্ছো! স্বামী: না, আমি যাচ্ছি গরীব-দুঃখীদের দান-সদকা করতে! স্ত্রী: কেন! কেন? স্বামী: মানত করেছিলাম। ফল ফলতে শুরু করেছে। কথা তো রাখতেই হয়...

আপনার কুকুরটারে কিছু কইরেন না...

মন্টুর বাপ স্বপ্নে দেখলো শহরের এক প্রভাবশালী লোকের স্ত্রী মারা গেছে। জানা গেল, স্বামীর পোষা কুকুরের কামড়েই তার অকাল মৃত্যু হয়েছে। কৌতুহলী হয়ে উঠলো মন্টুর বাপ। এতদিনে সুযোগ পাওয়া গেছে! বাড়ির সামনে বিশাল লম্বা লাইনের ভীড় ঠেলে শোকসন্তপ্ত স্বামীটির সামনে গিয়ে দাঁড়ালো মন্টুর বাপ। লোকটি তার দিকে মুখ তুলে চাইতেই মন্টুর বাপ শুরু করল: ভাই, মানুষ মরণশীল। শোক করে আর কী করবেন! তবে আপনার কুকুরটারে কিছু কইরেন না। ওরে আমার জিম্মায় দিয়া দেন, প্লিজ... লোকটি মুখে কোনো কথা না বলে তাকে বাড়ির সামনের মাইলখানেক লম্বা লাইনটা দেখিয়ে দিল।   মন্টুর বাপ: মানে? ওই লাইনের পেছনে গিয়ে দাঁড়ান। পাশে থেকে একজন বললো। কেন? লাইনে দাঁড়াতে হবে কেন? কুকুরটা যারা পেতে চাইছে তারা সবাই ওইখানে লাইনে দাঁড়িয়েছে!

লটারির টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবো

বাহির থেকে বাসায় এসে স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে- স্বামী : আচ্ছা জান, আমি যদি কোনো লটারিতে জিতে যাই, তখন তুমি কী করবে? স্ত্রী : লটারির অর্ধেক টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবো! স্বামী : আমি একটা লটারিতে ৫শ’ টাকা জিতেছি, এই নাও ২৫০ টাকা, এবার যাও ভাগো।

ভাবী, আপনি যা সুন্দরী না

স্ত্রী: একটা কথা তোমাকে জানাতে চাই। আমার খুব অস্বস্তি লাগে ব্যাপারটা নিয়ে... স্বামী: বল দেখি কী এমন ঘটনা... স্ত্রী: তুমি আবার রাগ করো না যেন। আমাকে ভুল বুইঝো না, জানু... স্বামী: আরে কও না কী এমন কথা! স্ত্রী: আমার বয়স ৫০ বছর হয়ে গেছে। তারপরও তোমার একজন বন্ধু খুব প্রশংসা করে, সুযোগ পেলেই বলে- ভাবী, আপনি যা সুন্দরী না... আপনার হাসি... স্বামী মোটেই রাগলো না। খুব স্বাভাবিক কণ্ঠে বললো: বুঝছি... ও তো পলাশ। ওর স্বভাবই... স্ত্রী: হায় আল্লাহ! তুমি চিনে ফেলেছো? স্বামী: ব্যাটা তো ভাংগারি ব্যবসায়ী, চিনবো না! পুরনো-বাতিল জিনিসপত্রের কদর ওর চেয়ে ভাল কে বোঝে!

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে