Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

বেতন বাড়ানোর আবদার

ম্যাডামঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয়নি, এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন? কাজের মাসি: এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি। ম্যাডামঃ…

বিক্রয়কর্মী

প্রেমিকার জন্য আংটি কিনতে জুয়েলারির দোকানে গেছে নাহিন। নাহিন: একটা আংটি দেখান তো। আমার হবু বউকে দেব। দোকানদার: দামি কিছু দেখাব? নাহিন: আরে না, কম দামি হলেই হবে। কোনোমতে বিয়েটা সেরে ফেলতে পারলেই হলো। অত দামি আংটি দিয়ে কী লাভ? পরদিন প্রেমিকার বাবার সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে গেল নাহিন। প্রেমিকা: এ কী, মাথা নিচু করে আছ কেন? তুমি যে এত লাজুক, তা তো আমার জানা ছিল না! নাহিন: আমারও জানা ছিল না, তোমার বাবা একজন জুয়েলারির দোকানের বিক্রয়কর্মী!

সুখ

দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে। ১ম বন্ধু: আচ্ছা, বিয়ের পর তোরা দুজন কি সুখে আছিস? ২য় বন্ধু: অবশ্যই। প্রতি সপ্তাহেই আমরা রেস্তোরাঁয় খেতে যাই। খাওয়া শেষে কিছুক্ষণ পার্কে হেঁটে বেড়াই। মনের আনন্দে গান গাই। ১ম বন্ধু: বাহ্! সপ্তাহের কোন দিনটায় যাস তোরা? ২য় বন্ধু: ও যায় বুধবার, আর আমি শনিবার।

পানি খেতে ইচ্ছে করছে না তো

বিবাহে প্রবল অনিচ্ছুক এক লোককে বলা হলো: সারাটা জীবন একা একাই কাটাবে? ভেবে দ্যাখো, তুমি যখন মরণশয্যায়, তখন তোমার মুখে পানি দেওয়ার মতো কেউ থাকবে না। কোনো প্রতিযুক্তি দেখাতে না পেরে বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল লোকটা। অনেক বছর পরের কথা। দীর্ঘ সংসারজীবন যাপনের পর লোকটি বৃদ্ধ অবস্থায় শুয়ে আছে মৃত্যুর অপেক্ষায়। তাকে ঘিরে আছে তার স্ত্রী, পুত্র-কন্যা। শুয়ে শুয়ে সে ভাবছে: কেন যে বিয়ে করেছিলাম! পানি খেতে ইচ্ছে করছে না তো!

ছুটির দিনে একটু শান্তি

এক সকালে বলছেন জলিল সাহেব, ‘আজকে ছুটির দিন। সপ্তাহের এই দিনটা আমি একটু শান্তিতে কাটাতে চাই। তাই সিনেমা হলের তিনটা টিকিট কেটে আনলাম।’ খুশিতে গদগদ হয়ে বললেন জলিলের স্ত্রী, ‘সে তো ভালো কথা। কিন্তু টিকিট তিনটা কেন গো? তুমি-আমি আর কে যাবে?’ জলিল বললেন, ‘তুমি-আমি না। তুমি আর বাচ্চারা যাবে। আমি বাসায় থাকব।’

কোনো এক সুন্দর সকালে

একদিন ঘুম থেকে উঠে রতন তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ পরদিনও ঘুম থেকে উঠে রতন বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’ এর পরদিনও একই ঘটনা। এভাবে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর রতনের স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘প্রতিদিন এই কথা বলার মানে কী?’ রতন: সেদিন ঝগড়ার সময় তুমি বলেছিলে, কোনো এক সুন্দর সকালে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

ট্রাফিক পুলিশ

এক লোক খুব দ্রুত গাড়ি চালিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সামনে দিয়ে চলে গেলো। ট্রাফিক পুলিশও তাকে ধাওয়া করলো। অনেক দূর অবধি ধাওয়া করে অবশেষে পুলিশ তাকে থামায়। পুলিশ: দেখো ভদ্রলোক- আমার ডিউটি শেষ হয়ে গেছিলো, জাষ্ট বাসায় ফিরবো কিন্তু তুমি এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলে কেন প্রথম জানতে চাই। দ্বীতিয়ত জানতে চাই তুমি আমাকে গাড়ির স্পিড আরও বাড়িয়ে দিলে কেন? তৃতীয়ত, যতই আমি তোমাকে গাড়ি থামানোর জন্য সিগন্যাল দিচ্ছি তুমি থামলেনা কেন? যদি আমাকে তুমি যুক্তিসঙ্গত একটা কারণ দেখাতে পারো আমি তোমাকে কোন টিকিট দেবো না৤ ভদ্রলোক কয়েক সেকেন্ড ভেবে নিয়ে বললেন, দেখো গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক পুলিশ অফিসারের সাথে পালিয়ে গেছে৤ আমি ভেবেছি তুমি সেই লোক এবং আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়ার জন্য আমাকে গাড়ি থামাতে বলছো৤

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে