Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

শীতকাল নিয়ে মনীষীদের উক্তি!

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : (এই শীতে) স্নান যে করে আর স্নান যে সহে/তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে কাজী নজরুল : চল চল চল/মাথায় দু ফোঁটা ছিটিয়ে জল, ভিজে তোয়ালেতে গা মুছে বল/ঢেলেছি…

তাইলে দুর্নীতিটা করতেছে কারা?

মন্টুর বাপ: বস, একটা বিষয় বুঝতেছি না! বস: বিষয়টা কী আগে বলবে তো? মন্টুর বাপ: দেশের সব দল আর তাদের সমর্থক-ই তো দুর্নীতির বিরুদ্ধে? বস: হুম। কিন্তু তাতে তোমার সমস্যা কী? মন্টুর বাপ: আমি ভেবে পাই না- তাইলে দুর্নীতিটা করতেছে কারা? এমএ/১০:১০/১১ জানুয়ারি

হিটলারের ভালোবাসা!

বিয়ের কথাবার্তা চলছে। কনে পক্ষ গেছে ছেলের এলাকায় তার স্বভাব চরিত্র বিষয়ে খোঁজ নিতে। কনের বাবা : জুয়েল ছেলেটা কেমন, ভাই সাহেব? প্রতিবেশী : ছেলে তো মাশাল্লাহ, আছে আর কী... কনের বাবা : মানে তার স্বভাব-চরিত্র জানতে চাচ্ছিলাম। মেয়েদের ব্যাপারে আচরণ... প্রতিবেশী : ভালো। মানে মদ-গাঁজা খায় না, তবে ফেনসি... তাও খুব একটা খায় না। এই ধরেন দিনে দু-তিন বোতল... কনের বাবা : অ্যাঁ! বলেন কী! প্রতিবেশী : আর বলছিলেন মেয়েদের ব্যাপারে... এই দিক দিয়ে ছেলে একদম এ-ওয়ান! নারীকে সম্মান জানানোয় তার জুড়ি নাই।  কনের বাবা : যাক, তার মানে এইদিকটা তার ভালো? প্রতিবেশী : হ্যাঁ, ফেসবুকে-ইনস্টাগ্রাম-টুইটারে কোনো তরুণীর ছবি আর ন্যাকামি ভরা স্ট্যাটাসে লাইক-কমেন্ট দিতে ভোলে না কখনও...                                                 (২) নয়া বছর নিয়া এত মাতামাতির কিছু দেখি না, ভাইসব। এই বছরেও রক্তচোষা বউ, হাড়পেষা চাকরি, ছাকনিতে ছাকা বেতন, মুরগির খোঁয়াড় বাসা, জগদ্দল বোঝা ঋণ, গাইডেড মিসাইল ঝামেলা আর মিরজাফর টাইপ প্রতিবেশী- সব একই থাকবে। বদলাবে শুধু ক্যালেন্ডারটা- মন্টুর বাপের স্বগতোক্তি                                                  (৩) আমি তোমাদের ভালোবাসায় না গিয়ে যুদ্ধ করার পরামর্শ দেই। কারণ, যুদ্ধে তুমি হয় বাঁচবে না হয় মরবে, কিন্তু ভালোবাসায় না পারবে বাঁচতে না পারবে মরতে- এডলফ হিটলার এমএ/১০:০০/১০ জানুয়ারি

গ্রামার কাকে বলে

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন- শিক্ষক : আচ্ছা, বলো তো গ্রামার কাকে বলে? ছাত্র : যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে গ্রামার বলে। বাংলাদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে বাংলা গ্রামার এবং বিদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে ইংলিশ গ্রামার বলে, স্যার।

মুঠোর মধ্যে রেলগাড়ি

দুই মাতাল রাতে বাসায় ফিরছে। হঠাৎ একজন ডানহাত মুঠো করে ধরে পাশের জনকে দেখিয়ে বলে- ১ম মাতাল : ক তো দেহি, আমার হাতের মুডায় কী আছে? ২য় মাতাল : রেলগাড়ি। ১ম মাতাল চমকে গেল। হাতের মুঠো ভালো করে চেক করে বলল- ১ম মাতাল : খেলমু না, তুই দেখছোস।

চোরের উপদেশ

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে- লোক : দরজাটা বন্ধ করে যেও। চোর : দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।

দৈনিক দুই চামচ

চিকিৎসক : এক্স-রে করে যা দেখলাম, তাতে তো আমি অবাক। রোগী : কেন, কি দেখেছেন? চিকিৎসক : আপনার পেটে অনেক চামচ জমা হয়েছে। রোগী : কি বলছেন আপনি? চিকিৎসক : হ্যাঁ, সত্যি বলছি। রোগী : ওহ, এই কথা? চিকিৎসক : কিন্তু কিভাবে হলো, বলুন তো? রোগী : আপনি তো বললেন দৈনিক দুই চামচ খেতে।

তুই পড়লি কিভাবে

শিক্ষক : কাল রাতে কে কয়টা পর্যন্ত পড়েছিলি? আবু : স্যার, আমি রাত ১২টা পর্যন্ত পড়েছিলাম। শিক্ষক : তাই, সত্যি কথা বলবি কিন্তু। আবু : হ্যাঁ স্যার, সত্যি বলছি। শিক্ষক : কাল রাতে তো ৯টার পরে কারেন্ট ছিলো না, তাহলে তুই পড়লি কিভাবে? আবু : পড়ায় এতো মনযোগ ছিল যে, কখন কারেন্ট চলে গেছে বুঝতেই পারিনি।

লোকে আমাকে সন্দেহ করছে

এক পিঁপড়া রাতের অন্ধকারে গ্রাম ছেড়ে চলে যাচ্ছে। যাওয়ার পথে এক গ্রামবাসীর সঙ্গে দেখা। ওই লোক বলল- গ্রামবাসী : কিরে পিঁপড়া, তুই গ্রাম থেকে চলে যাচ্ছিস কেন? পিঁপড়া : আরে আর বলিস না। গ্রামবাসী : কেন, কি হইছে? পিঁপড়া : গ্রামে এক হাতি গর্ভবতী হইছে। লোকে আমাকে সন্দেহ করছে।

আপনি যা সুন্দরী না

স্ত্রী : একটি কথা তোমাকে জানাতে চাই। আমার খুব অস্বস্তি লাগে ব্যাপারটা নিয়ে। স্বামী : বলো দেখি, কী এমন ঘটনা। স্ত্রী : তুমি আবার রাগ করো না যেন। আমাকে ভুল বুইঝো না, জানু। স্বামী : আরে কও না, কী এমন কথা! স্ত্রী : আমার বয়স ৫০ বছর হয়ে গেছে। তারপরও তোমার এক বন্ধু খুব প্রশংসা করে। সুযোগ পেলেই বলে, ‘ভাবি, আপনি যা সুন্দরী না, আপনার হাসি…’ স্বামী মোটেই রাগলো না। খুব স্বাভাবিক কণ্ঠে বললো- স্বামী : বুঝছি, ও তো পলাশ। ওর স্বভাবই… স্ত্রী : হায় আল্লাহ! তুমি চিনে ফেলেছো? স্বামী : ব্যাটা তো ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী, চিনবো না! পুরনো-বাতিল জিনিসপত্রের কদর ওর চেয়ে ভালো কে বোঝে!

কয় টাকার বিষ লাগবে

পল্টু গেছে দোকানে বিষ কিনতে। দোকানদার : ভাই, বিষ দিয়া কী করবেন? পল্টু : আত্মহত্যা করব। দোকানদার : ক্যান ভাই? পল্টু : কিছু কিছু জিনিস আছে, যা কাউকে বোঝানো যায় না। দোকানদার : মানে? পল্টু : আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাঁশের সাথে বাম পা বেঁধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল। আমি এবার গরুর ডান পা ও বাঁশের সাথে শক্ত করে বাঁধলাম। অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল। ভাবলাম লেজটাও বেঁধে রাখি। কিন্তু লেজ বাঁধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাঁধতে লাগলাম। বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল। এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ওই অবস্থায় দেখলো। এখন আপনিই বলেন, আমি আমার বউকে কী করে তা বোঝাব? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে। এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না। দোকানদার : ভাই, কয় টাকার বিষ লাগবে?

পুরো বোতলটাই শেষ

এক মাতাল মদ খেয়ে পুরো বেহুঁশ হয়ে রাস্তায় পড়ে গেল। পাশ দিয়ে এক ভালো লোক যাচ্ছিল। সে তার কাছে এসে বললো- লোক : একটু-আধটু পান কর ঠিক আছে। কিন্তু পুরো বোতলটা দেখছি খালি করে ফেলেছ। এটা তো ঠিক নয়। মাতাল : স্যার, আমি খুব অসহায়, আমার এছাড়া কোন রাস্তাও ছিলো না। লোক : সে আবার কী? এমন কি হলো যে, তোমাকে পুরো বোতলটাই শেষ করে ফেলতে হবে? মাতাল : স্যার, আসলে বোতলের ঢাকনাটাই যে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কোথাও খুঁজে পেলাম না।

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে