Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

ছোট বউ চাই

দুই বন্ধু তাদের পরিচিত এক নায়িকার বয়স নিয়ে কথা বলছে- অপু : ফিল্ম স্টার টুপুরকে চিনিস? তপু : চিনবো না আবার, আমার ছেলেবেলায় উনি আমাদের পাড়াতে থাকতেন। তখন আমার…

তুমিই অনেক কিউট 

প্রেমিকা : বাবু জানো, আমার বান্ধবী ওই যে মারিয়া আছে না, ওর বয়ফ্রেন্ড না কুরবানিতে ওকে একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা গিফট করবে। প্রেমিক : আরে কী বলো এসব, তুমি নিজেই তো একটা ডিএসএলঅার। তোমার গালটা কতো সফট আর চকচকে জানো তুমি? প্রেমিকা : যাহ দুষ্টু কিভাবে বলে, লজ্জা লাগে না বুঝি? আর শোনো, ওই যে আমার আরেকটা বান্ধবী ঈশিতা আছে না, কুরবানিতে ওর বয়ফ্রেন্ড ওকে একটা আইফোন গিফট করবে। প্রেমিক : আরে ধুর পাগলী, আইফোন একটা জিনিস হলো? তুমি নিজেই তো একটা আইফোন। দেখই তো তোমাকে কত সুন্দর করে আদর করি, কত সযত্নে ভালোবাসি। প্রেমিকা : যাও পাজি ছেলে, ঢং করে শুধু। এই বাবু শোনো, ওই যে ওই বিদেশি সুন্দর সুন্দর কুকুরছানা আছে না, ওগুলো না আমার অনেক ভাল্লাগে। তোমায় ভেবে সারাক্ষণ আদর করে জড়িয়ে রাখতে ইচ্ছে হয়। এটার দাম খুব বেশি না, একটা মাত্র দশ হাজার টাকা। প্রেমিক : আরে জানপাখি, এসব কী বলছো তুমি? তুমিই তো অনেক কিউট একটা কুকুরছানা। ইয়ে মানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি... প্রেমিকা : ওই থাম! কী বললি তুই আমারে? আমি কুকুরছানা? তুই কুকুরছানা, তোর চৌদ্দগোষ্ঠী কুকুরছানা। তুই আর কোনো দিন যোগাযোগ করার চেষ্টা করবি না। কুত্তা ফোন রাখ!

বাঙালির ভালোবাসা- বড় আজব এক খেলা!

নবদম্পতি খোশগল্প করছে। নববধূ খুশিতে বাগবাগ।   নববধূ : শোনো জানু, সপ্তাহের সাতটি দিন আমরা সাতভাবে কাটাব- মানে বেড়াব!  বর : অবশ্যই! নববধূ : তুমি কোনো বাধা দিতে পারবা না, কোনো অজুহাত চলবে না! বর : ঠিক আছে। নববধূ : সপ্তাহে অন্তত একদিন মার্কেটিংয়ে নিবা আমারে। এর বাইরে শনিবার আমরা মহল্লার চটপটি দোকানে ফুচকা-চটপটি খাব, রবিবার রাতে বিরিয়ানি-মোগলাই খাবার, সোমবার কাবাব-বারবিকিউ, মঙ্গলবার মেক্সিকান আর স্প্যানিশ ডিশ, বুধবার ইতালিয়ান আর চাইনিজ, বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান আর দেশি হলেও চলবে... বর : আর শুক্রবার আমরা গুলিস্তানে গোলাপশাহ মাজারের সামনে যাব! নববধূ : কেন? কেন? ওখানে কেন? বর : ভিক্ষা করতে। কারণ, তোমার সপ্তাহের খরচ তো তুলতে হবে...

 তোমাকে ৫ বছরের দণ্ড

বিচারক: তুমি দিনদুপুরে এই লোকের টাকা ছিনিয়ে নিয়েছো! আসামি: না হুজুর! আমি ছিনিয়ে নেইনি, তিনি এমনিতে দিয়েছেন। বিচারক: এমনিতে দিয়েছেন! আসামি: জ্বী, স্যার! আমার হাতে গুলিভরা পিস্তল দেখেই তিনি তার হাতের টাকাগুলোও আমাকে দিয়ে দিলেন... বিচারক: তোমার হাতে কোনো অস্ত্র না দেখেই আমি তোমাকে ৫ বছরের দণ্ড এমনি এমনিই দিয়ে দিলাম, যাও!

গতকাল বাবাও তাই করেছিল...

ছেলেটা খুব লাজুক হয়েছে। নতুন লোকজনের সামনে জড়তা কাটে না তার। এমন অবস্থা দূর করতে মা নানান চেষ্টা করেন। সেদিন বাসায় নতুন টিউটর যোগ দিয়েছেন। ছেলে গুঁটিসুটি হয়ে রয়েছে। পরদিন মা বিশেষ একটা কৌশল খাটালেন। ছেলেকে আদুরে গলায় বললেন: বাবা আমার, যাও তো দেখি এক দৌড়ে তোমার নতুন মিসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ! অমন করি আর বাবার মতো চড় খাই আর কি! মা: মানে? ছেলে: গতকাল বাবাও তাই করেছিল! আর সঙ্গে সঙ্গে মিস...

আব্বু-আম্মু ঝগড়া করছিল

এক ছাত্রী ক্লাসে দেরি করে এসেছে। তাই শিক্ষক রেগে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো-  শিক্ষক : তোমার আসতে এতো দেরি হলো কেন? ছাত্রী : কী করে যে বলি স্যার! শিক্ষক : জবাব দাও। না হলে পিটিয়ে পিঠের চামড়া তুলে নেবো। ছাত্রী : স্যার, আমার আব্বু-আম্মু ঝগড়া করছিল। শিক্ষক : তো তার সাথে তোমার স্কুলে দেরি করে আসার সম্পর্ক কী? ছাত্রী : সম্পর্ক আছে স্যার।  শিক্ষক : তারা ঝগড়া করুক, তুমি চলে আসতে। ছাত্রী : সেটা কিভাবে হয় স্যার?  শিক্ষক : কেন? ছাত্রী : ঝগড়া করার সময় আমার একটা জুতা আব্বুর হাতে আরেকটা জুতা আম্মুর হাতে ছিলো!

ছাগলের ডিম দিয়ে ভাত খাইছি

শ্রেণিকক্ষে গণিত শেখাচ্ছে শিক্ষক। তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে লিখলেন- শিক্ষক : মনে করো, বাগানের একটি আম গাছে ১৬টি কলা আছে। সেখান থেকে ১৩টি জাম্বুরা পেড়ে নেওয়া হলো, গাছে কয়টা লেবু বাকি থাকবে? ছাত্র : খাতায় করে দেবো নাকি মুখে বলবো স্যার? শিক্ষক : মুখেই বলো তো। ছাত্র : ৯টি হাতি। শিক্ষক : বাহ! তুমি কিভাবে জানলে? ছাত্র : কারণ আমি দুপুরে ছাগলের ডিম দিয়ে ভাত খাইছি!

হঠাৎ বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ দিনে করণীয়

চারদিকে বৃষ্টি। পানিতে থইথই করছে। আকাশে এক সপ্তাহ সূর্যের দেখা পাওয়া যাবে না বলে মনে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির দিনে করণীয়বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সভা করে কিছু গুরুত্বহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আসুন, সময় নষ্ট করে পড়ে নিই। ড্রেস কোড বৃষ্টির দিনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ড্রেস কোড। ড্রেস কোড হিসেবে ব্যবহার করতে হবে হাফপ্যান্ট, স্যান্ডেল। অবশ্য সবচেয়ে ভালো হয় লুঙ্গি ব্যবহার করতে পারলে। এটি যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারবেন। উপহার যেহেতু এখন বৃষ্টির দিন, সেহেতু বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে উপহার দেওয়া উচিত। আপনি আপনার প্রিয়জনকে গামবুট, লাইফ জ্যাকেট উপহার দিতে পারেন। তবে অনেকে বিয়ের উপহার হিসেবে মেয়ের জামাইকে গাড়ি উপহার দিয়ে থাকেন। আশা করি, তাঁরা এখন গাড়ির বদলে ভালো ব্র্যান্ডের নৌকা উপহার দেবেন। কেননা, দেশে এখন ভালো মানের নতুন নতুন নদী আবিষ্কার হচ্ছে। সেলফি কম সময়ে আলোচনায় চলে আসতে বৃষ্টির দিন সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড করতে পারেন। অবশ্যি এটি বলার তেমন একটা প্রয়োজন নেই। কারণ, অনেকের তো সেলফি ছাড়া চলেই না।

ছেলেটা আমাকে বিরক্ত করছে

১ম বান্ধবী : দেখ দেখ, ওই ছেলেটা আমাকে কেমন বিরক্ত করছে। ২য় বান্ধবী : তাতে কী হয়েছে? ১ম বান্ধবী : আমার ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে। ২য় বান্ধবী : সে কিরে! দেখলাম ছেলেটা তো একবারও তোর দিকে ফিরে চায়নি।  ১ম বান্ধবী : হুম, তাকায়নি। ২য় বান্ধবী : তাহলে তুই বলছিস বিরক্ত করছে। ১ম বান্ধবী : আহা! সে জন্যই তো বিরক্ত হচ্ছি।  ২য় বান্ধবী : এতে বিরক্ত হওয়ার কী আছে? ১ম বান্ধবী : এতো সেজেগুজে এলাম অথচ ফিরেও তাকাচ্ছে না।

মানত করেছিলাম

স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য চলছে বেশ কিছুদিন, কিছুতেই সমঝোতা হচ্ছে না দুজনে। স্ত্রী: আমি বাপের বাড়ি চললাম, তুমি থাক তোমার ঘর নিয়ে। মুচকি হাসি দিয়ে স্বামী বললো: আমিও বের হচ্ছি! বিদ্রুপের হাসি দিয়ে স্ত্রীও বলল: তুমিও কি বাপের বাড়ি যাচ্ছো! স্বামী: না, আমি যাচ্ছি গরীব-দুঃখীদের দান-সদকা করতে! স্ত্রী: কেন! কেন? স্বামী: মানত করেছিলাম। ফল ফলতে শুরু করেছে। কথা তো রাখতেই হয়...

হেঁটে হেঁটে প্যাভিলিয়নে ফেরত যাও!

ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি ছেলে : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি। বাবা : কী কাজ? ছেলে : পাশের বাড়ির মোটা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি। বাবা : তাই নাকি! কী করে? ছেলে : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন। *** হাঁটতে পারবে তো চিৎকার করে এলবিডব্লিউয়ের আবেদন করল বোলার, ‘আউট দ্যাট!’ এদিকে ব্যাটসম্যান তখন পায়ে বল লেগে ব্যথায় কোঁকাচ্ছে। ধীর পায়ে ব্যাটসম্যানের দিকে এগিয়ে গেলেন আম্পায়ার। বললেন, ‘হাঁটতে পারবে তো?’ ব্যাটসম্যান : হুম। রানার লাগবে না। আমি রান করতে পারব। আম্পায়ার : রান করতে হবে না। হেঁটে হেঁটে প্যাভিলিয়নে ফিরতে পারলেই হবে। তুমি আউট। *** দুধ বিক্রি করতে পারো বাবা-ছেলের মধ্যে কথা হচ্ছে- বাবা : পরীক্ষায় এবার তুমি পাস-ফেল যাই করো না কেন, তোমাকে একটা সাইকেল কিনে দেব। ছেলে : বাবা, তুমি খুব ভালো। তা কোন সাইকেল কিনে দেবে তুমি? বাবা : পাস করলে কলেজে যাওয়ার জন্য নতুন রেঞ্জার সাইকেল কিনে দেব। ছেলে : আর যদি ফেল করি? বাবা : তাহলে ভাঙাচোড়া একটি সাইকেল কিনে দেব। ছেলে : কেন? বাবা : বাজারে ঘুরে ঘুরে যাতে তুমি দুধ বিক্রি করতে পারো।

আপনার কুকুরটারে কিছু কইরেন না...

মন্টুর বাপ স্বপ্নে দেখলো শহরের এক প্রভাবশালী লোকের স্ত্রী মারা গেছে। জানা গেল, স্বামীর পোষা কুকুরের কামড়েই তার অকাল মৃত্যু হয়েছে। কৌতুহলী হয়ে উঠলো মন্টুর বাপ। এতদিনে সুযোগ পাওয়া গেছে! বাড়ির সামনে বিশাল লম্বা লাইনের ভীড় ঠেলে শোকসন্তপ্ত স্বামীটির সামনে গিয়ে দাঁড়ালো মন্টুর বাপ। লোকটি তার দিকে মুখ তুলে চাইতেই মন্টুর বাপ শুরু করল: ভাই, মানুষ মরণশীল। শোক করে আর কী করবেন! তবে আপনার কুকুরটারে কিছু কইরেন না। ওরে আমার জিম্মায় দিয়া দেন, প্লিজ... লোকটি মুখে কোনো কথা না বলে তাকে বাড়ির সামনের মাইলখানেক লম্বা লাইনটা দেখিয়ে দিল।   মন্টুর বাপ: মানে? ওই লাইনের পেছনে গিয়ে দাঁড়ান। পাশে থেকে একজন বললো। কেন? লাইনে দাঁড়াতে হবে কেন? কুকুরটা যারা পেতে চাইছে তারা সবাই ওইখানে লাইনে দাঁড়িয়েছে!

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে