Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
হাস্যরসে ভরপুর লেখা দিতে লগইন/রেজিষ্টার করুন

হাসিখুশি ক্লাব

ছয়টি চরম হাসির কৌতুক

    (১) টিভি দেখতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বেঁধে গেল। স্ত্রী: তুমি এমএ পাশ আর ‘পত্নী’ শব্দের অর্থ জান না! স্বামী: জানবো না কেন! যে নিজের পতির পতনের কারণ…

জানু আই লাভ ইউ..

বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় স্ত্রীর প্রেমমাখা এসএমএস এসেছে স্বামীর কাছে: সুইটহার্ট, সকালের ঝগড়ার জন্য দুঃখিত যদিও দোষটা তোমারই ছিল। জান আমার, তোমার জন্য মন খুব খারাপ লাগছে... তোমাকে খুব মিস করছি! যদি এ মুহূর্তে তুমি অফিসের চেয়ারে ঘুমিয়ে থাক তবে তোমার স্বপ্নগুলো পাঠাও আমাকে, যদি কোনো তরুণী কলিগের জোক্স শুনে হাসতে থাক তবে সেই হাসির আনন্দ পাঠাও, যদি তোমার প্রিয় পিজা খাওয়া অবস্থায় থাকো তবে তার থেকে এক কামড় আমাকে পাঠাও, যদি কোনো কারণে আমার কথা মনে করে অশ্রু এসে পড়ে থাকে তোমার চোখে- সেই লোনাজলের ভালোবাসা পাঠাও আমার কাছে... জানু, আই... আই লাভ ইউ! স্বামী এসএমএসটি পড়লো অফিসের বাথরুমে থাকা অবস্থায়। স্ত্রীর ওপর থেকে রাগ পড়ে গেল এবং দ্রুত জবাবি মেসেজ লিখলো: আমি এখন কমোডে বসে আছি। প্লিজ, বলে দাও কী করবো...

তিনটি হাসির কৌতুক

এক একবার ক্লাস এ পরীক্ষা চলছে ; যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন পুরো হল এ চক্কর দিচ্ছেন ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছেনা দেখা দেখি বা কথা বলার। ঠিক এই সময় এক ছাত্র শিক্ষক কে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো সাথে সাথে শিক্ষক তার চেয়ার এ গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!! কি ছিল চিরকুটে ??   "স্যার আপনার প্যান্ট পিছন থেকে ফাটা" :p :P :P  দুই মানসিক ডাক্তারের কাছে গেছেন এক রোগী।  ডাক্তার: কী সমস্যা আপনার?  রোগী: আমার নিজেকে একটা মুরগি মনে হয়।  ডাক্তার: কবে থেকে আপনার এ সমস্যা?  রোগী: যখন আমি ডিম ছিলাম, তখন থেকেই!  তিন বয়ফ্রেন্ড: তার বান্দবিকে বলছে আচ্ছা বলতো ৬' ইঞ্চি একটা জিনিস যেটা দরলেই শরিরে অন্য রকম লাগে , আর আমি তোমাকে দিলে তুমি তা সাবধানে বিশেষ জায়গায় ঢুকিয়ে রাখ এবং আরও বেশী বেশি পরিমানে চাও। বলতো জিনিসটা কি?  গ্রলফ্রেন্ড: যা দুষ্ট , কি বল এইসব,আমার লজ্জা লাগে...আমি বলতে পারবোনা... !!!  বয়ফ্রেন্ড:আরে লজ্জার কি আছে !! তুমিকি মনে করছ ??...আমি তো..৫০০ টাকার নোটের কথা বলছি!!! তোমার দেখি চিন্তাই খারাপ.? ? 

বন্ধু যখন ভিক্ষুক

বল্টু অন্ধ সেজে ভিক্ষা করার ব্যবসা শুরু করছে।  তোএকদিন ভিক্ষা করার সময় এলাকার চেয়ারম্যান আবুল মিয়া এসে তাকে জিজ্ঞাসা করল... আবুলঃ ওই শালা, তুই যে অন্ধ এর প্রমাণ কি???  বল্টুঃ ওই যে দূরে একটি কালো কুত্তা বসে আছে। দেখতে পাচ্ছেন???  আবুলঃ হুম, দেখতে পাচ্ছি।। . . . বল্টুঃ কিন্তু, আমি দেখতে পাচ্ছি না!!!

ফ্রি পরামর্শ আর ফ্রি ওষুধ

এক: ‘রক্তচোষা’ ডাক্তারের কাছে এক চালিয়াত টাইপের নারী এসেছেন? চেম্বারে ঢুকেই ডাক্তারকে প্রশ্ন করলেন নারী: স্যার, আপনার ফিস কত যেন? ডাক্তার: প্রথমবার এলে দেড় হাজার টাকা আর দ্বিতীয়বার ফ্রি! নারী: তাইলে এটা আমার দ্বিতীয়বার আসা। একটু ভাল করে দেখবেন এবার। ডাক্তার: দেখা যাচ্ছে আপনি বেশ ভালই আছেন। তাই প্রথমবারের ওষুধগুলোই চলতে থাকুক... ডাক্তারের টেবিলে ওষুধ কোম্পানি থেকে দেওয়া ফ্রি স্যাম্পলের দামি কিছু ওষুধ ঝটপট তুলে নিয়ে নারী বললো: স্যার, গতবার এই ফ্রি ওষুধগুলোই তো দিয়েছিলেন... ধন্যবাদ, আবারও ওষুধগুলো ফ্রি পেলাম... কয়েক হাজার টাকার ফ্রি ওষুধ পার্সে ভরে চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেলেন ধুরন্ধর নারী...      দুই: ঘনিষ্ঠ দুই বন্ধু ডাক্তার সলিম আর উকিল কাজলের দেখা হল এক পার্টতে। ডাক্তার: দোস্ত, আর পারি না! একটা কিছু উপায় বলে দে? উকিল: কী হয়েছে আগে বলবি তো! ডাক্তার: যেখানেই যাই- কোনো আত্মীয় বাড়ি, কোনো অনুষ্ঠান বা ক্রিকেট খেলা দেখতে- ডাক্তার পরিচয় পেয়ে সবাই শুরু করে রোগ নিয়ে পরামর্শ চাওয়া! আমি কি মানুষ না? উকিল: কোনো সন্দেহ নাই। সমস্যাটা বল এবার! ডাক্তার: এর থাইক্যা মুক্তি চাই- সমাধান দে? উকিল: তোর কাছে একটা হাজার টাকা থাকলে দে তো! আমি সমাধান দিচ্ছি। সঙ্গে সঙ্গে ওয়ালেট থেকে হাজার টাকার একটা নোট বের করে উকিলের হাতে দিয়ে ডাক্তার বললো: পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ...

প্রেমিক প্রেমিকার দুটি মজার কৌতুক

এক: প্রেমিকা তার প্রেমিককে রাতে রোমান্টিক মেসেজ পাঠাচ্ছে!! মেয়েঃ ঘুমিয়ে আছো তো স্বপ্ন পাঠাও, জেগে আছো তো ভাবনা পাঠাও,যদি কাঁদছো তো চোখের জল পাঠাও..। । ...।  ছেলেঃ প্রিয়তমা পায়খানা করতেছি...কি পাঠাবো?????? দুই: মেডিক্যালে পড়া এক ছাত্রীকে এক পাগল প্রেমিক প্রেমপত্র দিল। নিজের রক্ত দিয়ে লিখে। আর বলল "অবশ্যই জবাব দিও"। মেয়ে পরেরদিন জবাব দিল ... "তোমার ব্লাড গ্রুপ এ পজেটিভ আর তোমার রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে। কচু শাক বেশি করে খাবে!"

মন্টুর বাপের উদারতা এবং...

এক- স্টেশনারি দোকানে গিয়ে মন্টুর বাপ জিজ্ঞেস করলো, মুনলাইট পেন আছে? সেলসম্যান ঝটপট বলে দিল, না, নেই। মন্টুর বাপ ফিরে গেল। তবে কিছুক্ষণ পর কী মনে করে ফের ওই দোকানে গেল এবং জিজ্ঞেস করল, মুনলাইট নেই, কিন্তু অন্য কি কি পেন আছে? সেলসম্যান উত্তর দিলো, আছে অনেকগুলো ব্রান্ডের,স্যার। যেমন ধরেন- পাওয়ার, শার্প, এলিট, স্পিড, ন্যাশনাল... মন্টুর বাপ: এক প্যাকেট শার্প দাও। এখন সেলসম্যানশিপ কী? বুঝতে পারছো এবার! প্রথম যখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার বলা উচিৎ ছিলো যে মুনলাইট নেই, তবে পাওয়ার, শার্প, এলিট, স্পিড, ন্যাশনাল... এসব আছে। মনে রাখবা- ক্রেতাই লক্ষ্মী, ক্রেতাকে ধরে রাখার মধ্যেই বরকত... মন্টুর বাপের পরোপকারী উদার মানসিকতায় সেলসম্যান খুশি হলো, নতমুখে সম্মান জানয়ে বললো, দুঃখিত স্যার, আর ভুল হবে না। কয়েকদিন পর ফের ওই দোকানে গেল মন্টুর বাপ। গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, টয়লেট পেপার আছে? মন্টুর বাপকে তারই ট্রেনিং পাওয়া সেলসম্যান হাসিমুখে উত্তর দিলো, স্যার, টয়লেট পেপার তো একটু আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে, শিরীষ পেপার মানে শিরীষ কাগজ আছে। খুব ভাল মানের, দেব... এক ঘষাতেই মন্টুর বাপ এই প্রথমবারের মতো জ্ঞান হারালো... দুই- দুষ্ট ছাত্র: স্যার, এবার এমন জিনিস বানিয়েছি যে ক্লাসে বসেই আমরা পাশের টিচার রুমে আপনারা কী করতেছেন তা দেখতে পাবো। শিক্ষক: ভাল, যাই বানিয়েছো, যে উদ্দেশ্যেই বানিয়েছ- খুশির কথা! এটাই একদিন তোমাদের আরও বড় লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে। এটা টিভি ক্যামেরা জাতীয় কিছু নয় তো? ছাত্র: না স্যার! শিক্ষক: তাহলে? ছাত্র: স্যার, অনেকদিনের চেষ্টায় সবার চোখ বাঁচিয়ে দেওয়ালে একটা ফুটো করেছি...

দুই বন্ধুর মজার কৌতুক

রণন আর নাছের দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে। রণন: বুঝলি নাছের, সুলেখাকে আমি ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর বাসি না। নাছের: কেন? রণন: মেয়েটা কানে কম শোনে। নাছের: কী করে বুঝলি? রণন: আমি ওকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ও বলল, আমার পায়ের স্যান্ডেলটা নতুন!  

ক্ষেত-খামারে টাইলস ফিটিং করে দেব!

এক: সামনে নির্বাচন। নেশায় চুর নেতা কৃষকদের সভায় এসেছেন। নেতা: আপনার কারা? কৃষক: আমরা কৃষক, হুজুর? নেতা: তা আপনাদের পায়ে কাদামাটি লেগে আছে কেন? কৃষক: আমরা মাঠে সারাদিন হালচাষ করি, পানি সেচ করি, বীজ-সার ছিটাই, খেতের থেইকা ফসল তুলি। তাই আমাগোর পায়ে কাদা লেগে থাকে।  নেতা: চিন্তা করবেন না। ভোটে দল জিতলে এবার সব ক্ষেত-খামারে টাইলস ফিটিং করে দেব। পাক-কাদার নাম গন্ধ থাকবে না, দেখবেন! দুই: এক মুরগীর বাচ্চা লাফাতে লাফাতে এসে তার মাকে জিজ্ঞেস করল, মা মানুষের জন্ম হলে তাদের বাবা মায়েরা কত নাম রাখে, কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন মা? মা মুর্গী বলল, আমাদেরও নাম রাখা হয় বাবা, তবে মরার পর। মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়, চিকেন টিক্কা, চিকেন কাবাব, চিকেন পাকোড়া, চিকেন পক্স, চিকেন কোর্মা, চিকেন তন্দুরী ইত্যাদি!েআর যে মুর্গী মানুষে মারার আগে নিজে নিজে মরে যায়, তার নাম দেয়- মরা মুর্গী… তিন: গভীর রাত। স্বামী-স্ত্রী ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎ স্ত্রী স্বপ্ন দেখে চেঁচিয়ে বলতে লাগলো- ওঠ, পালাও তাড়াতাড়ি। আমার হাসব্যান্ড এসে গেছে! হায় হায়! এখন কী হবে?  স্বামী তড়াক করে লাফ জানালা খুলে দোতলা থেকে রাস্তায় লাফিয়ে পড়লো। সঙ্গে সঙ্গে খেয়াল হলো নিজের বেডরুমের জানালা থেকেই লাফ দিয়েছে সে! হায় হায়!  কিন্তু ততক্ষণে মাথা ফেটে গেছে তার, পাও ভেঙেছে একটা।   দুজনেই এখন ভাবছে, দোষটা আসলে কার?                                    

‘ঘুম’

ডাক্তার বলছিলো, মোটেই আর তিনমাস বাঁচবো! ডেডলাইন পেরিয়েছি গতকাল। ওভারটাইম চলছে। দুপুর থেকে গুগলে কিছু মোটিভেশনাল স্পিচ ঘাঁটাঘাটি করছি। খুঁজছি কিছু সিনেমা। শুনছি বেঁচে থাকার গান। মরার আগেই আমি মরতে চাইনি। মৃত্যুর এক সেকেন্ড আগ অবধি মনটা জেগে থাকুক। মনটাকে ব্যস্ত রাখতে চাই। একা থাকলেই ভীতিরা সব হুড়মুড় করে মাথার উপর ভেঙে পড়ছে। বাইরে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির মধ্যে ভার্সিটির পাশের রহিম মামার টঙয়ে বসে এক কাপ খেতে পারলে ভালো লাগতো। খালি পায়েই ভর সন্ধ্যায় বৃষ্টি মাথায় বেরিয়ে পড়লাম। মা বললো, ‘ছাতাটা নিয়ে যা। গায়ে জ্বর আসবে।’ মাকে বললাম, ‘ক্যান্সারের রোগীকে তুমি জ্বরের ভয় দেখাও?’ ভিজে জবুথুবু হয়ে টঙের টুলে বসলাম। মামা চা দিলেন। খেতে খেতে ভাবলাম, টেনেটুনে পাশ মার্ক পেয়েও যদি স্বর্গে যাই, মামার চা’টা পছন্দের খাবারের লিস্টে রাখবো। আরও কি কী ভাবার আগেই মামার সরল প্রশ্ন, ‘মন খারাপ?’ আমি মুখ লুকাই, চেপে যাই। কাউকেই রোগটার কথা বলতে ইচ্ছা করে না। শুনলেই কেমন যেনো করুণার দৃষ্টিতে তাকায় মানুষগুলো। করুণায় বিদ্ধ জীবন মৃত্যুর চেয়েও কঠিন। অর্ধেক চা খেতে শেষ করে ভাবছি, কে কে আমাকে মিস করবে? রাফি দু’শো টাকা পাবে আমার কাছ থেকে। ওর মুখ খুব খারাপ। দশের সামনে গালি দেবে বাপের নাম তুলে। আজই বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দেবো। ফারিয়া মিস করবে কিনা বুঝতে পারছি না। ইদানীং আবিরের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছে। মাস ছয়েক আগে হলে হয়তো ভাবতো। তবে সাদিয়া ম্যাম মিস করবে আমাকে। উনি স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমি একজন বাঘা রিপোর্টার হবো। কি আর করা! সুন্দরবনের বাঘও ইদানিং কমে যাচ্ছে। আমার মতো দু’একটা রিপোর্টার না থাকলে খুব একটা ক্ষতি হবে না জাতির। ছোটবোনের সঙ্গে লাস্ট তিনমাস কথা বলি না। ওর সঙ্গে খারাপ আচরণ করি। আমার উপর বিতৃষ্ণা জন্মাক। ওর কষ্ট কম হবে। ছোটভাই একটা মোবাইল চেয়েছিলো। নতুন করে আর কিনতে যাবো না। কেচিংটা চেঞ্জ করে আমারটায় দিয়ে যাবো। কেচিংয়ের মধ্যে যেন আমাকে খুঁজে না পায়। মাথা মুণ্ডানোর পর বাবা একটা ক্যাপ কিনে দিয়েছিলো। ওটাও ছোটভাইকে দিয়ে যাবো। ও নাকি বড় হয়ে মাশরাফি হবে। আর ব্যাংক অ্যাকাউন্টটার নমিনি করা আছে ছোটবোনের নামে। শ’ পাঁচেক টাকা আছে। ও কিছু ‍কিনতে পারবে। এটিএমের পাসওয়ার্ড ৮৭৩৫। আমার কাছে এই মুহূর্তে শ’তিনেক টাকা আছে। রাফির দু’শো রেখে বাকিটা দিয়ে ক্লিন সেভ করবো। খোঁচা খোঁচা দাড়ি দেখে মানুষ ভাববে, আহারে, ছেলেটা মরার আগে খুব ডিপ্রেশড ছিলো। আমি সবসময়ই নির্ভার থাকতে চাই। চারপাশটাও নির্ভার রাখতে চাই। বাসার নিচের গলিতে নামলাম। সেভ করতে গিয়ে ক্ষুরের কোণায় লেগে গালটা কেটে গেলো। আগে রক্ত দেখলে খুব ভয় পেতাম। ব্যথায় কুঁকিয়ে উঠতাম। কাকতালীয়ভাবে আমার গালে ব্যথা করছে না আজ! হয়তো মনটা বলছে, বোকাছেলে সামান্য ক্ষুরের আঘাত সহ্য করতে না পারলে মরবি কোন সাহসে? দাঁত কটমট করে চেপে সেভটা শেষ করলাম। সাড়ে এগারোটায় বাসায় ফিরলাম। কাউকে না বলে রুমের দরোজা বন্ধ করে দিলাম। অঝোরে কাঁদলাম। এক বছরে চোখে জমিয়ে রাখা সব জলে স্রোত বইয়ে গেলো বালিশে। ২৪ বছরের একটা ছেলে মৃত্যুযন্ত্রণা নিয়ে আর কতোদিন যুদ্ধ করবে? একলা লাগছিলো খুব। আর পারছি না অভিনয় করতে, বুকে কষ্টের পাথর জমিয়ে মানুষের সঙ্গে হাসিমুখে আড্ডা দিতে। পারছি না আর। এবার ঘুমাতে চাই। মনটা শক্ত করে ঝটপট গোটা বিশেক ঘুমের ট্যাবলটে খেয়ে নিলাম। মাথাটা ‍ঘুরছে। ভয়ংকর ঘুম অক্টোপাশের মতো আঁকড়ে ধরছে আমাকে… লেখক-সাইমুম সাদ

বল্টু আর শিক্ষকের তিনটি মজার কৌতুক

১  শিক্ষকঃ বলতো বল্টু, মেয়েদের লজ্জা বেশি না, ছেলেদের বেশি..?  বল্টুঃ ছেলেদের।  শিক্ষকঃ কিভাবে..?  বল্টুঃ স্যার, সব ফিল্মে মেয়েরা হাফ প্যান্ট পরে আর ছেলেরা পরে ফুল প্যান্ট।  শিক্ষকঃ হারামজাদা দাড়া শয়তান।  ২ শিক্ষকঃ বলতো বল্টু তুমি বড় না তোমার বাবা বড়..?  বল্টুঃ আমি স্যার।  শিক্ষকঃ কিভাবে..?  বল্টুঃ স্যার, আমি এখন আর আমার মায়ের সাথে ঘুমাই না, কিন্তু বাবা এখনও মায়ের সাথে ঘুমায়।  ৩  শিক্ষকঃ বলতো বল্টু , আকবর জন্মেছিলেন কবে..?  বল্টুঃ স্যার, এটা তো বইয়ে নেই।  শিক্ষকঃ কে বলেছে বইয়ে নেই। এই যে আকবরের নামের পাশে লেখা আছে ১৫৪২-১৬০৫.  বল্টুঃ ও! ওটা জন্ম-মৃত্যুর তারিখ..? আমি তো ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। তাই তো বলি, এত্তোবার ট্রাই করলাম, রং নাম্বার বলে কেন..?  শিক্ষকঃ বেঁহুশ

ঠেলা সামলাও!

মালিক :  আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো?? কর্মচারী : লিয়াকত সাহেব। মালিক :  গত বছরের পাঁচ কেজি আটা? কর্মচারী : লিয়াকত সাহেব। মালিক : আর ওই মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো? কর্মচারী : লিয়াকত সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।   এমন সময় মালিকের মুখকালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো।   কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল- হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে? মালিক : না, লিয়াকত সাহেবের বাসায় আজ আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে। 

 1 2 3 >  শেষ ›
Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে