শনিবার রাতে রামু উপজেলা সদরে দুষ্কৃতকারীদের একাধিক দল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরোনো ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করায় গত বুধবার ৩রা অক্টোবর সন্ধ্যা ৮ টায় জ্যাকসন হাইটস্ এর পালকী রেষ্টুরেন্টে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বৌদ্ধ সম্প্রদায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। তারা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিভিন্ন দাবী পেষ করেন। যাহাতে এই ধরনের ঘটনার পূনরাবৃত্তি না ঘটে। শনিবার রাতে রামু উপজেলা সদরে দুষ্কৃতকারীদের একাধিক দল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শত বছরের পুরোনো ১২টি বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরে অগ্নিসংযোগ করে। পুড়িয়ে দেয় বৌদ্ধপল্লির ৪০টির মতো বসতবাড়ি। ভাঙচুর চালায় শতাধিক বাড়িঘরে। পার্বত্য চট্টগ্রামের রামু এবং সনি্নহিত বিশাল এলাকাজুড়ে বৌদ্ধবিহার ভাংচুর, নিরীহ, শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ জনগণের ঘরে অগ্নিসংযোগ ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার যে অভাবিতপূর্ব ধ্বংসের ও তাণ্ডবলীলা সংঘটিত হয়েছে, সেই জঘন্য, কুৎসিত এবং অমানুষিক কাজের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ করে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বৌদ্ধ সম্প্রদায় হামলাকারীদের বিচার এবং ক্ষতিপূরনের দাবী জানায়।অন্যান্য দাবীর মাঝে আরও ছিল বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভবিষ্যত নিরাপতা নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপওা ও অধিকা্র নিশ্চিত করে সংসদে বিশেষ আইন পাশ করে ও সমগ্র বাংলাদেশে বৌদ্ধ অধু্ষিত এলাকায় জোরদার করে তাদের জানমালের নিরাপওা নিশ্চিত প্রদান করা। এই সম্মেলন উপস্হিত ছিলেন উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সত্যানন্দ ভিক্ষু, স্বীকৃতি বড়ুয়া, রতন বড়ুয়া, শিতাংশ গুহ, ড, টমাস দুলু রায় ও প্রমুখ।