গড় রেটিং: 2.5/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 2012-07-30 06:21:17
|
মালয়েশিয়ায় ৩ কোটি টাকা প্রতারণা ৪০০ বাংলাদেশীর মামলা
কুয়ালালামপুর, ৩০ জুলাই- মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের রাজধানী আলোর স্টারে প্রায় ৪০০ প্রবাসী বাংলাদেশী তিন কোটি ১০ লাখ টাকা প্রতারিত হয়েছেন। এ অর্থ উদ্ধারে তারা সেখানকার সরকারি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। গতকাল মালয়েশীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা এ খবর দিয়েছে।
বারনামা বলেছে, ওই বাংলাদেশী শ্রমিকদের পক্ষে সিরাজুল হক কাজী তাদের কাছে অভিযোগ করেন, চলতি বছরের গোড়ায় সরকার ‘সিক্স পি’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করেছিল। এর আওতায় যাতে তারা পুনরায় তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারে সেজন্য একটি নির্মাণ কারখানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা তাদের কাজের পারমিট সংগ্রহ করে দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ওই কোম্পানির পক্ষে তারা একজন এজেন্টের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। ওই এজেন্ট এজন্য প্রত্যেকের পাসপোর্ট ও ৩০০০ মালয়েশীয় রিংগিত দিতে বললে তারা সম্মত হয়। তারা সবাই বাংলাদেশী ৭৭ হাজার ৫৫০ টাকার সমপরিমাণ রিংগিত পরিশোধ করে।
সম্প্রতি ওই এজেন্ট তাদের জানায়, পারমিট ফি বৃদ্ধি পেয়েছে। জনপ্রতি ৪২০০ রিংগিত লাগবে। অর্থাৎ, অতিরিক্তি প্রত্যেকের কাছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা করে দাবি করে। এবং সেটা পূরণ না করা হলে তাদের পাসপোর্ট দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর প্রতিবাদের তারা ওই এজেন্টের লোরং ওয়ান ম্যাট সামনের বাসভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।
সিরাজুল বারনামাকে বলেন, তাদের পক্ষে বাড়তি অর্থ শোধ করা সম্ভব নয়। উপরন্তু এখন তাদের অবৈধ শ্রমিক বিবেচনায় নিম্ন মজুরির চাকরি খুঁজে বেড়াতে হবে। আমরা তাই কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ আশা করি। আমরা বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে ৫ থেকে ১৮ বছর আগে এ দেশে এসেছি। অনেকে স্থানীয়দের বিয়ে করেছেন এবং তাদের সন্তানও রয়েছে। গত ২৫শে জুলাই তারা ওই কারখানা ও এজেন্টর বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেছে। সিক্স পি কর্মসূচির আওতায় যাতে বিদেশীদের অবৈধ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে না হয় সে জন্য নিবন্ধন, ক্ষমা, বহিষ্কার ইত্যাদির বিধান করে একটি আইন করা হয়েছে।