গড় রেটিং: 5.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 2012-07-16 08:24:52
|
১লা জুলাই থেকেই বিদ্যুতের বাড়তি দাম দিতে হবে
বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়ছে চলতি মাসেই। তবে যখনই দাম বাড়ানো হোক না কেন তা ১লা জুলাই থেকেই কার্যকর হচ্ছে। দাম বাড়ানোর আগের তারিখ থেকে বর্ধিত দাম কার্যকর হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে ভোক্তা সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আজ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ভোক্তা অধিকার রক্ষা বিষয়ক সংগঠনের প্রতিনিধিরা দাম বাড়ানোর বিষয়ে প্রবল আপত্তি তুললেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড দাম বাড়ানোর বিষয়ে তাদের যুক্ত তুলে ধরেছে।
দাম বাড়ানোর আগে কমিশনের নিয়ম অনুযায়ি উন্মুক্ত সভা হওয়ার কথা থাকলেও তা ছাড়াই এবার গণশুনানি করলো বিইআরসি।
বিইআরসি সূত্র জানায়, চলতি মাসেই দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হবে। পাইকারি দাম বাড়ানোর সঙ্গে শুনানি করে খুচরা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত না দিতে পারলেও অন্তবর্তী সময়ের জন্য খুচরা দাম বাড়ানোর আদেশ দেয়া হতে পারে। গ্রাহক পর্যায়ে এই দাম বাড়ানোর হার ২০ থেকে ৩০ শতাংশ হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
গণশুনানিতে উপস্থাপন করা বিইআরসি’র টেকনিক্যাল কমিটি পাইকারি (বাল্ক) বিদ্যুতের দাম ২১ দশমিক ৮৯ শতাংশ (ইউনিট প্রতি ৮৮ পয়সা) বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। বর্তমানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম রয়েছে ইউনিট প্রতি গড়ে ৪টাকা ০২ পয়সা। পিডিবি তাদের প্রস্তাবে ৫০ শতাংশ হারে দাম বাড়ানোর কথা বলেছে। এ হারে দাম বাড়ানো হলেও চলতি অর্থবছরে তাদের ইউনিট প্রতি ৮৪ পয়সা করে ঘাটতি থাকবে বলে জানিয়েছেন পিডিবি’র কর্মকর্তারা।
এদিকে গণশুনানিতে পিডিবি দাম বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি দেখালেও ভোক্তা সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, একের পর এক দাম বাড়ানোই বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধান নয়। এখন নতুন করে দাম বাড়ানো হলে তা বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান না করে নতুন সঙ্কট তৈরি করবে।
এছাড়া তেলের দাম বাড়ার কথা বলে পিডিবি দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব দিয়েছে তাও যৌক্তিক নয়। কারণ এখন বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে।
উল্লেখ্য, গত ৬ই জুন বাল্ক বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। পরে বিতরণ সংস্থাগুলোও তাদের খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করে।