গড় রেটিং: 3.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 2012-06-13 08:00:38
|
বাংলাদেশ নিয়ে ভাবছে না ভারত
বাংলাদেশকে ভারত সফরে ডাকবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড- এমন আশায় বুক বেঁধে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল। বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তি তাও এক যুগ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সফরে ভারতের ডাক পায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ভারতের দরজা এখনও বন্ধই দেখাচ্ছে। যতই বৈরী সম্পর্ক থাক ভারতের ক্রিকেট বোর্ড ব্যস্ত এখন পাকিস্তানকে নিয়েই। আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সূচি নিয়ে ভারত ব্যস্ত থাকবে ভীষণভাবে। তবুও বিসিসিআই শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে একটি ওয়ান-অফ সিরিজের প্রস্তাব দিয়েছে। এ সিরিজের একটি ম্যাচ হবে ভারতে এবং অন্যটি পাকিস্তানে। শুধু কি তাই পাকিস্তানের ঘরোয়া টুয়েন্টি-২০ আসরের চ্যাম্পিয়ন শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্সকে চ্যাম্পিয়নস লীগ টি-২০ খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। আর এ আমন্ত্রণের উদ্দেশ্য, এ সফরের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনরায় মজবুত করা। আর এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে ভারত সরকারের অনুমতির ওপর। অন্যদিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তান নিয়ে আশায় থাকলেও স্পষ্টভাবে এ মুহূর্তে কেউই জানে না আদৌ কবে প্রস্তাবিত এ সিরিজ আয়োজন সম্ভব। এছাড়াও আইপিএল-এর আসরেও পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ করার ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। দ্বিপক্ষীয় এ সম্পর্ক পুনর্জাগরণ এবং আইপিএল-এ পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের খেলার অনুমতি দেয়ার ব্যাপারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছ থেকে অনবরত অনুরোধ আসলেও বিসিসিআই তাৎক্ষণিকভাবে কোন প্রস্তাবই চূড়ান্ত করতে পারেনি। এর অন্যতম কারণ ভারতীয় বোর্ড এখনও এ ব্যপারে দেশের সরকারের সবুজ সঙ্কেত পায়নি। বিশেষ করে এই অনুমতিটা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের থেকেই আসার কথা রয়েছে। আর ধারণা করা হচ্ছে এ ব্যাপারে ভারতীয় সরকার এ মুহূর্তে কোন তাড়াহুড়া করতে চাচ্ছে না
তবে পাকিস্তানের ভারত সফরের ব্যাপারে বিসিসিআই কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানাবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে টাইমস অব ইন্ডিয়ার কাছে সোমবার বিসিসিআইর এক কর্মকর্তা এ ব্যাপারে জানিয়েছেন, ‘সরকারি অনুমতি পেলেই কেবলমাত্র আমরা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের আমাদের দেশে আসার ব্যপারে ঘোষণা দিতে পারবো। বিসিসিআইর দৃষ্টিকোণ থেকে আমি একটা কথাই বলতে চাই- দু’দেশের মধ্যকার এ দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুনরায় দৃঢ় করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে কোন বাধা নেই।’