গড় রেটিং: 3.5/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 2012-05-31 05:44:09
|
বাংলাদেশ-ভারত সীমানা নির্ধারণ বিল নিয়ে অনিশ্চয়তা
নয়া দিল্লি, ১ জুন: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত সীমান্ত নির্ধারণী চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধন বিলটি কেন ভারতীয় সংসদের সদ্য সমাপ্ত বাজেট অধিবেশনে পেশ করা হলো না, তা তার ‘জানা নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম।
দিল্লীতে এক সাংবাদিক বৈঠকে চিদাম্বরম বলেন, “এটা আমার আশা, বিলটি সংসদে পেশ করা হবে এবং তা পাশও হবে। আমার জানা নেই, কেন সংসদীয় কাজকর্ম পরিচালনা বিষয়ক মন্ত্রক বিলটিকে (বাজেট) অধিবেশনে পেশ করলো না। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেবো।”
বিলটি সংসদে নিয়ে আসার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের, এ কথাও জানান পি চিদাম্বরম।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে, ভারত সফরের সময়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, তিনি আশা করছেন বিলটি ভারতের সংসদের বাজেট অধিবেশনে পাশ করানো হবে। একই কথা বলেছিলেন, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক করিমও।
ভারতের বাজেট অধিবেশন দু-মাস চলার পরে গত সপ্তাহে শেষ হয়েছে। কিন্তু বিলটিকে পেশ করা হয়নি। এই কারণে, তিস্তা চুক্তির পাশাপাশি, আটকে গিয়েছে সীমান্ত নির্ধারণ বিষয়ক প্রোটোকলের বাস্তবায়নও।
বিভ্রান্ত সাংসদের চিঠি
মার্চের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত বাজেট অধিবেশন চলাকালীনই বোঝা গিয়েছিল, সীমান্ত নির্ধারণ ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় সংবিধান সংশোধন বিলটি আসছে না।
কিন্তু কেন, তা জানতেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণাকে চিঠি দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ সি পি আই-এর প্রবোধ পাণ্ডা। চিঠির উত্তরে কৃষ্ণা কি লিখেছিলেন দিন-কয়েক আগে তা জানান প্রবোধ পাণ্ডা।
“পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছিলেন, একটি খসড়া সংবিধান সংশোধন বিল তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। প্রোটোকল ও একটি সীমান্ত নির্ধারণ চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার প্রতিশ্রুতি-বদ্ধ। এর ফলে ছিটমহল বিনিময় ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন,” বলেন পাণ্ডা।
কিন্তু ‘খসড়া বিল তৈরির প্রক্রিয়া’টি ঠিক কি, তা পাণ্ডাকে জানানো হয়নি।
সীমান্ত নির্ধারণ বিষয়ক চুক্তি-র প্রোটোকলের বয়ান গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় চূড়ান্ত হয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফরের সময়ে। সূত্র: বিবিসি।