ইন্টারনেট ও টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে বিলুপ্ত প্রায় ভাষাগুলোকে আরও
দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা যাবে। এক্ষেত্রে ইউটিউব, ফেসবুক ও টুইটারের মতো
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পৃথিবীর প্রায় সাত হাজার ভাষার মধ্যে চলতি শতকেই পৃথিবীর অর্ধেক ভাষা
বিলুপ্ত হয়ে যাবার আশঙ্কা জয় করতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন ফিলাডেলফিয়ার
সোয়ার্থমোর কলেজের ভাষাবিদ গবেষক ডেভিড হ্যারিসন। বিলুপ্তপ্রায় ভাষা রক্ষায়
গ্রহণ করেছেন ‘এনডিউরিং ভয়েস’ নামের একটি বিশেষ প্রকল্প।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির উদ্যোগে গৃহীত প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যেই
চালু করা হয়েছে আটটি টকিং ডিকশনারি বা ‘কথ্য অভিধান’। এই অভিধানগুলোতে
বিভিন্ন দেশের বিলুপ্তপ্রায় ভাষার ৩২ হাজার শব্দ ও ২৪ হাজার রেকর্ড করা
অডিও স্থান পেয়েছে।
এ বিষয়ে লাডেলফিয়ার সোয়ার্থমোর কলেজের ভাষাবিদ ডেভিড হ্যারিসন জানিয়েছেন,
‘‘কোনো কোনো স্থানে একটি ভাষাভাষী মানুষের সংখ্যা মাত্র ৫০ থেকে ৫০০ জনের
মধ্যে সীমাবদ্ধ। টকিং ডিকশনারি নামের ডিজিটাল অভিধানগুলো এখন সেই
ভাষাগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পারবে।’’
আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের বার্ষিক সভায়
বক্তব্য রাখার সময় আটটি অভিধান ছাড়াও বেশ কিছু ভাষার অভিধান তৈরির কাজ চলছে
বলেও জানিয়েছেন হ্যারিসন।