লগ-ইন
¦ নিবন্ধিত হোন
 
 
 
Wednesday | 19 June | 2013
Default Page
Bangla Problem
FB
Twitter
RSS

গড় রেটিং: 5.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

Update : 0000-00-00 00:00:00
রিসেপ্টর প্রোটিন ও মানুষের অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থা
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিজ্ঞানীরা জীবের বিশেষ করে মানুষের অভ্যন্তরীন তরল পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা তথ্য তুলে ধরেন। বিজ্ঞানীরা বলেন, অতিরিক্ত তরল বাইরের কলায় (ঞরংংঁব) চলে আসে। এ তরলগুলো আবার ধমনিতে ফিরলে ভালো হয়। কিন্তু তারা ধমনিতে ফিরতে পারে না। এর বদলে তারা অতিশোষী ও অতিভেদী এক বিশেষ নালীকায় প্রবেশ করে। এ নালীকাগুলো হচ্ছে রসিকা (খুসঢ়য) নালী। রসিকা নালীতে ঢুকলে ওই বহির্তরলকে লসিকা বলে। লসিকার কার্যাবলী, উৎস ও গঠনের দিকে নজর দিয়ে যে পদ্ধতি বা তন্ত্র কল্পনা করা হয়। তাকে লসিকাতন্ত্র বলে। লসিকাতন্ত্র পরে লসিকা বা এ বহির্তরলকে রক্তসংবহনতন্ত্রে ফিরিয়ে দিয়ে। তাছাড়া লসিকা ব্যবস্থায় 'জীবাণু প্রতিরোধ' অংশ আছে, যে অংশ থেকে লিম্ফোসাইট (খুসঢ়যড়পুঃব) নামক কোষ উৎপন্ন হয়। এ কোষগুলো অনাক্রমন্য তন্ত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখে থাকে। লিম্ফোসাইট মূলত শ্বেতরক্তকণিকা। এরা ঞ- লিম্ফোসাইট (ঞ-পবষষং) ও ই- লিম্ফোসাইট (ই-পবষষং) নামে অধিক পরিচিত। দূর্ঘটনার কারণে অথবা অপারেশনের কারণে শরীর থেকে অধিক পরিমাণ রক্ত বের হয়ে গেলে, সেই ঘাটতি দ্রুত পূরণ করে ফেলতে হয়। তা না হলে রক্তের ঘাটতির কারণে ব্যক্তি মারা যেতে পারে। কিন্তু এ ঘাটতি পূরণ হতে কমপক্ষে চার মাস সময় লাগে। তাই একজনের রক্তের ঘাটতি পূরণে অন্য আরেকজনের এগিয়ে আসা দরকার। তবে সবাই সবার রক্ত গ্রহণ করতে পারে না। একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীরে বিশুদ্ধ রক্ত প্রদানের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এ নিয়ম আবিষ্কারগত শতাব্দীর একটি অন্যতম সেরা আবিষ্কার। এ আবিষ্কারের ফলে অসংখ্য মানুষকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষার করা সম্ভব হয়েছে। একজনের শরীর থেকে রক্ত অন্যজনের শরীরে ঢুকানোর ক্ষেত্রে যে বিজ্ঞান জড়িত, তা হচ্ছে রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। রক্তের গ্রুপ সংক্রান্ত এ তত্ত্ব মূলত জিন এবং প্রোটিনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ তত্ত্বটির সূত্রপাত করেছিলেন বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার। এ আবিষ্কারের কারণে তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বিজ্ঞানীরা আরো জানান, কোষপর্দা বাইরের জগত থেকে কোষকে আলাদা করে ফেলে। পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে প্রায় ১০ হাজার বিলিয়ন কোষ রয়েছে এবং প্রতিটি কাষে ১ বিলিয়ন প্রোটিন অণু রয়েছে। কোষাভ্যন্তরে নিয়মিত নানারকম প্রোটিন ভেঙে যাচ্ছে আবার নতুন নতুন প্রোটিন তৈরি হচ্ছে। রিসেপ্টর (জবপবঢ়ঃড়ৎ) অণুগুলো মূলত প্রোটিন। এরা কোষ পর্দাং বা কোষাভ্যন্তরে থাকে। কোষপর্দার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিতভাবে নানারকম ক্ষুদ্র পদার্থ কোষাভ্যন্তরে যাতায়াত করে অথবা বাহ্যিক উদ্দীপনা কোষপর্দার থাকা গ্রাহকঅণুর মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে। সব কোষপর্দাই বিভিন্ন পরিমাণে লিপিড এবং প্রোটিন ধারণ করে এবং কোনো কোনো কোষপর্দা সামান্য পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট ধারণ করে। কোষপর্দা পানি আগ্রহী লিপিড শাখা (ঐুফৎড়ঢ়যড়নরপ খরঢ়রফ ঈযধরহ) এবং পানিগ্রাহী মাথা (ঐুফৎড়ঢ়যরষরপ ঐবধফ) নিয়ে গঠিত। লিপিড পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়। কোষের বাইরে এবং ভেতরে যেহেতু প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, তাই কোষপর্দা হিসেবে পানিতে অদ্রবণীয় পদার্থ থাকা দরকার। আর এ প্রয়োজনীয়তা মিটিয়েছে লিপিড। কোষপর্দার মাধ্যমে ক্ষুদ্র অণুগুলো (ঝসধষষ সড়ষবপঁষবং) দুভাবে যাতায়াত করে থাকে। একটি হচ্ছে নিষ্ক্রিয় পরিবহন (চধংংরাব ঞৎধহংঢ়ড়ৎঃ) অপরটি হচ্ছে সক্রিয় পরিবহন (অপঃরাব ঞৎধহংঢ়ড়ৎঃ) নিষ্ক্রিয় পরিবহনের জন্য কোনোরূপ বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয় না কিন্তু সক্রিয় পরিবহনের জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয়। পানি, গ্যাস, ইউরিয়া প্রভৃতি অণুগুলো সরল ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্ক্রিয়ভাবে পরিবাহিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড ও অন্যান্য চিনি অণুগুলোর নিষ্ক্রিয় পরিবহনের ক্ষেত্রে কোষপর্দায় থাকা প্রোটিন অণুর প্রয়োজন হয়। সক্রিয় পরিবহন দুভাবে সম্পন্ন হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে অঞচ অণুচালিত সক্রিয়া পরিবহন এবং অন্যটি হচ্ছে সোডিয়াম (ঘধ+) অথবা প্রোটিন (ঐ+) প্রভৃতি আয়ন চালিত সক্রিয় পরিবহন। যুগল বিক্রিয়ার মাধ্যমে ও তার সঙ্গে জড়িত প্রোটিন অথবা আয়নগুলো ও তাদের সঙ্গে জড়িত প্রোটিনগুলো সক্রিয় পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে থাকে। আয়ন নালীকা (ওড়হ পযধহহবষং) নিয়ন্ত্রণকারী কোষপর্দার প্রোটিনগুলো সক্রিয় পরিবহনের সঙ্গে জড়িত। অস্ট্রেলিয়ার এক বিজ্ঞানী জানান, বড় বড় অণুগুলো (গধপৎড়সড়ষবপঁষবং) নানা রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষপর্দা দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। প্রক্রিয়াগুলো হচ্ছে ঊীড়পুঃড়ংরং, ঊহফড়পুঃড়ংরং, চযধমড়পুঃড়ংং, চরহড়পুঃড়ংরং, জবপবঢ়ঃড়ৎ-সবফরধঃবফ বহফড়পুঃড়ংরং প্রভৃতি। ঊীড়পুঃড়ংরং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষপর্দা ফেটে গিয়ে প্রোটিন কোষের বাইরে চলে আসে। রাইবোজোমে উৎপন্ন প্রোটিনগুলো অমসৃণ অ্যান্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে গহ্বর আকারে আবদ্ধ হয়। সেখান থেকে গহ্বরগুলো গলগিবস্তুতে আসে। গলগিবস্তুতে গহ্বরগুলো নিঃসরক গহ্বরে আবদ্ধ হয়। এ নিঃসরক গহ্বরগুলো পরে কোষপর্দায় আসে এবং ঊীড়পুঃড়ংরং প্রক্রিয়ায় প্রোটিন নিঃসৃত করে। যেমন_ সুনির্দিষ্ট উদ্দীপনা পেলে স্নায়ুকোষ, অন্তঃক্ষরা কোষ এ পদ্ধতিতে প্রোটিন নিঃসরণ করে থাকে। কোষের বাইরের বড় অণুগুলো কোষপর্দায় এলে সেখানে অণুকে ঘিরে কোষপর্দা গহ্বর তৈরি শুরু করে এবং এক সময় গহ্বরটি কোষাভ্যন্তরে ঢুকে যায়। এ গহ্বর পরে পেটে যায় এবং বড় অণুটি কোষের ভেতর সাইটোপ্লাজমে কাজ করতে থাকে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ঊহফড়পুঃরপ গহ্বরের মাধ্যমে কোষাভ্যন্তরে প্রবেশ করে থাকে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় চরহড়পুঃড়ংরং। চযধমড়পুঃড়ংরং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষ বৃহৎ যেমন ব্যাকটেরিয়া, পরজীবি প্রভৃতি গ্রহণ করে থাকে। এ প্রক্রিয়ার সাহায্যে জীবাণু ধ্বংস করা হয়। যখন ফ্যাগোসাইট কোষের কোষপর্দার গ্রাহক অণুতে (জবপবঢ়ঃড়ৎ সড়ষবপঁষবং) বড় কণা এসে যুক্ত হয় যতক্ষণ ঊহফড়পুঃরপ গহ্বর তৈরি হয়। এ গহ্বর কোষের ভেতর ঢুকে পড়লে এক ফ্যাগোসোম (চযধমড়ংড়সব) বলে।
আরও প্রযুক্তি সংবাদ
   হুআই এনেছে বিশ্বের সবচেয়ে হালকা স্মার্টফোন
   অ্যাসান্ড ‘পি৬’ সবচেয়ে পুরু স্মার্টফোন
   বিশ্বের শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার ‘তিয়ানহে-২’
   আকাশে উড়ছে গুগলের ইন্টারনেট বেলুন
   অনলাইনে কমবয়সী পুরুষকে বন্ধু করতে আগ্রহী নারীরা
   ৯৯ ডলারের আইফোন আসছে!
   মোবাইল নম্বর ঠিক রেখে বদলানো যাবে অপারেটর
   নিউজক্রেড: তিন তরুণের উদ্যোগ
   শরীরের উত্তাপেই চার্জ হবে স্মার্টফোন!
   বাংলাদেশে ‘উদ্ভাবনী কেন্দ্র’ করবে মাইক্রোসফট
   আইফোন-আইপ্যাডের নতুন অপারেটিং সিস্টেম!
   ইন্টারনেট হবে ভ্যাটমুক্ত: বিসিএস
   গল্প নয় সত্যি ঃ পিৎজা সরবরাহে হেলিকপ্টার!
   বাজেটে ইন্টারনেটের সেবাব্যয় কমানোর সুপারিশ
   জুতার চার্জে চলবে মোবাইল
   ইন্টারনেটের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিটিআরসির আলোচনা
   সাইবার ক্রাইম রোধে ‘মনিটরিং সেল’: টুকু
   অনলাইনের বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়!
   ইনফোসিসের দায়িত্বে ফিরলেন নারায়ণ
   নতুনত্ব আসছে জিমেইল ইনবক্সে
Chief Editor: Nazrul Minto
editor@deshebideshe.com
Contact: 71 Highview Ave, Toronto, ON, M1N 2H4, Canada
Tel: 416 699 9833, email: info@deshebideshe.com