গড় রেটিং: 1.8/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 0000-00-00 00:00:00
|
তকতকে ঝকঝকে পরিবেশে চলে শারজাহ আদালতের কার্যক্রম
মনিরুল হাসান চৌধুরী
আরব আমিরাতের শারজাহয় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কাছেই শারজাহ বন্দর। আমরা ১০ বন্ধু মিলে একটি কম্পানির রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম আদালত ভবনে। শারজাহ আদালতের পরিবেশ দেখে সত্যিই বিমুগ্ধ হয়েছি আমরা। কারণ, এতো তকতকে, ঝকঝকে পরিবেশ আর দেখিনি। এক পাশে নদী, অন্যপাশে সমুদ্র। মাঝের সমতল ভূমিতে বন্দর ভবন এবং সরকারি আরও কিছু অফিস।
এমন একটি সুন্দর পরিবেশ বহুতল বিশিষ্ট আদালত ভবনের দৃষ্টিনন্দন গম্বুজের কারণে সহজেই চেনা যায়। শারজাহর অন্য সব ভবনের মতো আদালত ভবনও পুরোটা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সামনে কিছু অংশে ফুলের বাগান এবং গাড়ি পার্কিং এবং প্রশস্ত সড়ক।
এই আদালতে মামলার কার্যক্রমও চলে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে। বড় বড় মামলার কার্যক্রমও তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। বিচারকদের সামনে মামলার পাহাড় থাকে না। তাই দ্রুত নিষ্পত্তি হয় মামলা। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এখানে ৯৯ ভাগ মামলার ন্যায়বিচার হয়।
আমি চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরীর পাহাড়ে একাধিকবার গেছি। আমাদের চট্টগ্রাম আদালতের পরিবেশের সঙ্গে শারজাহর আদালতের পরিবেশের তুলনা চলে না। পরীর পাহাড়ে দেখেছি, ময়লা আবর্জনা, সড়কে যত্রতত্র পার্কিং, ভ্রাম্যমাণ দোকান ইত্যাদি। আর শারজাহর আদালতে এসব কল্পনাই করা যায় না। অনুমোদন ছাড়া কোনো দোকান এখানে নেই। পার্কিংও করতে হয় নিয়মনীতি মেনে। আমাদের আদালত অঙ্গনে মিছিল-মিটিং হতে দেখেছি, এখানে নেই। সত্যিই খুব খুশি হবো, যদি কখনো আমাদের পরীর পাহাড়ের আদালত অঙ্গনে এমন পরিবেশ দেখি। আমরা প্রবাসীরা দেশের বাইরের আদালতের দৃশ্য দেশের আদালত অঙ্গনেও দেখতে চাই। (মনিরুল হাসান চৌধুরী, শারজাহ প্রবাসী ব্যবসায়ী)