লগ-ইন
¦ নিবন্ধিত হোন
 
 
 
Wednesday | 22 May | 2013
Default Page
Bangla Problem
FB
Twitter
RSS

গড় রেটিং: 0.0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

Update : 0000-00-00 00:00:00
মহাকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক চর্চা
মহাকাশ নিয়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরের সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য চর্চাগুলো নিয়ে লিখেছেন তানভির আহমেদ সার্ন নিয়ে চর্চা বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি সার্ন নিয়ে মনোযোগী। সার্ন সাধারণ মানুষের মাঝেও আগ্রহের মাত্রাটাও বেশি। কিছুদিন আগে সার্নের একটি পরীক্ষায় আলোর চেয়ে বেশি বেগে গতিশীল কণার ভ্রমণের খবরটি গণমাধ্যমে আলোড়ন তোলে। জনমনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করে। জেনেভার সার্ন থেকে ছুড়ে দেয়া নিউট্রিনোগুলো মাটির প্রায় এক হাজার ৪০০ মিটার গভীরে গ্রান সাসো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে (ইতালি) বসে বিজ্ঞানীরা সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষাটি বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। নিউট্রিনো পরীক্ষাটি লোরেন্স ইনভেরিয়েন্সকে লঙ্ঘন করে। এটি 'হার্ট অফ ফিজিক্স' হিসেবে স্বীকৃত। কাজেই এ ফলের প্রতি সংশয়বাদী হওয়ার পেছনে যথেষ্ট কারণই আছে। সার্ন নিয়ে এই চর্চার সাথে মহাজাগতিক ক্ষেত্রের সম্পর্ক রয়েছে। মঙ্গল অভিযানের স্বপ্ন রাজনৈতিক অবস্থা যাই থাকুক, সামাজিক পরিস্থিতি যত জটিল হোক, শিশু মানসজগৎ কিন্তু ক্রমশ মহাজগতে ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের ছবিগুলো বলছে সুদূরলোকে পেঁৗছানোর কথা। যার ছোঁয়া এসে লেগেছে বাংলাদেশেও। এখানকার শিশুরাও আজ মহাজাগতিক চিন্তার ক্ষেত্র থেকে দূরে নয়। তাদের কল্পনাতে ধরা দিচ্ছে চাঁদে বসবাসে আকাঙ্ক্ষা, মঙ্গলে অভিযান। ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র অধ্যুষিত আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে, কমপক্ষে এক কোটি গ্রহে প্রাযুক্তিকভাবে উন্নত সভ্যতার বিকাশ ঘটা অসম্ভব নয়। তিনি বলেন, যত নিচু পর্যায়েরই হোক, বহির্জাগতিক প্রাণ সন্ধানের ক্ষেত্রে সাফল্যের একটি ঘটনা জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গির সীমানা বাড়াবে। প্রথমবারের মতো জীববিজ্ঞানীরা বুঝতে পারবেন আর কী কী ধরনের প্রাণ কাঠামো সম্ভব। যখন বলা হয় বহির্জাগতিক প্রাণের অনুসন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ তখন এ কথা বোঝানো হয় না যে নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে বহির্জাগতিক প্রাণের ব্যাপারে বরং শুধু এ কথা বলতে চাচ্ছে যে এ অনুসন্ধান মহামূল্যবান। পৃথিবীতে প্রাণের প্রকৃতি এবং গ্রহান্তরের কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কি-না তার অনুসন্ধান হলো একই প্রশ্নের দুটি দিক। মঙ্গল অভিযানের যে আগ্রহ তা এই প্রশ্নগুলোর সাথে জড়িত। বাংলাদেশে মহাকাশ সপ্তাহ উদযাপন ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি নিয়মিতভাবে বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ উদযাপন করে আসছে, যার প্রধান ইভেন্টটি সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর গ্রামের মহাকাশ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। গত বছর ইউনাইটেড ন্যাশন অফিস অফ আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্স (টঘঙঙঝঅ) বাংলাদেশকে তাদের সহযোগী দেশ হিসেবে বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ-২০১১ উদযাপনের জন্য বাছাই করেছে। এ উপলক্ষে এনায়েতপুরের মহাকাশ ভবনে ৩ থেকে ৫ অক্টোবর একটি জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মশালার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের ফকস্ টেলিস্কোপ প্রজেক্টের ডাইরেক্টর অফ এডুকেশন ড. সারাহ রবার্টস ওই কর্মশালাটি পরিচালনা করবেন। কর্মশালাটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুলের পাঠ্যক্রমের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত করা এবং বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কে জনপ্রিয় করা। ৩ অক্টোবর, ২০১১ সোমবার এনায়েতপুর মহাকাশ ভবন লনে 'ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ অন অ্যাস্ট্রোনমি' কর্মশালাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ইউনাইটেড নেশনস অফিস অফ আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্স, ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশন, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অরগানাইজেশন এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. এআর খান, বাংলাদেশ ফিজিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ড. আলী আসগর, ইউনেস্কো বাংলাদেশ অফিসের প্রোগ্রাম অফিসার মিস শিরিন আখতার, নর্থ আয়ারল্যান্ড স্পেস অফিসের ডাইরেক্টর ড. রবার্ট হিল, ফকস্ টেলিস্কোপ প্রজেক্টের ডাইরেক্টর ড. সারাহ্ রবার্টস এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি এফআর সরকার। মহাকাশযান ও আন্তঃগ্রহ যাত্রা অতি সম্প্রতি উদযাপিত হলো স্পুটনিক উৎক্ষেপণের ৫০ বছর পূর্তি। আধুনিক মহাকাশযানগুলো সৌরজগতের দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। কৃত্রিম উপগ্রহগুলো পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে যোগাযোগ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে নানারকম সুবিধা করে দিয়েছে। অথচ রকেট প্রথম নকশার কল্পনা করেন রুশ বিপ্লবী নিকোলাই কিবালচিচ। যিনি দ্বিতীয় আলেক্সান্দারকে হত্যার প্রচেষ্টার দায়ে তার ফাঁসি হয়। এরপর আসে স্কুলশিক্ষক কনস্তানতিন সিওলকোভস্কির কথা। তিনিই প্রথম আস্তঃগ্রহ যাত্রার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। সিওলকোভস্কির ১৮৯৫ সালের প্রথম বইয়ে তিনি তার প্রথম বইয়ে মহাশন্য ভ্রমণের কথা উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, তখন কোনো উড়োজাহাজও ছিল না এবং ১৯০৩ সালে মহাশূন্যে রকেট মহাযানকে কী ভাবে নিয়ে যাবে তার ওপর ১৯০৩ সালে মৌলিক রচনা প্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়ে তা বাস্তবে রূপ দেন মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট গডার্ড। তারও আগে কোপার্নিকাস, টাইকোব্রাহে কেপলার, গ্যালিলিও হয়ে প্রথম তাত্তি্বকভাবে কৃত্রিমগ্রহের চিন্তা করেছিলেন স্যার আইজ্যাক নিউটন। এসব ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় বেশিরভাগ আবিষ্কার, প্রাযুক্তিক উদ্ভাবনের সঙ্গে মানুষের অকল্পনীয় কষ্ট আর দারিদ্র্য জড়িত। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, এসব উদ্ভাবনের বেশিরভাগকেই ব্যবহার করা হয় মানুষের সঙ্গে মানুষের যুদ্ধে। আমরা যদি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে শিল্পকলার সমন্বয় ঘটাতে না পারি তাহলে আমাদের অবশেষে মধ্যযুগেই ফিরে যেতে হবে। মঙ্গল, পৃথিবীবাসীর জন্য দ্বিতীয় মঙ্গলময় বসবাসের স্থান। এই গ্রহের মাটি সাভারের মাটির মতো লাল রঙের। সেখানে বিজ্ঞানীদের ঘর বাঁধার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে আগামী প্রায় ২০০ বছরের মধ্যে। আগামী ২০০ বছরের এক পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে ওই গ্রহে। দ্বিতীয় পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে মহাকাশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।
 
আরও প্রযুক্তি সংবাদ
   স্কাইপি-এসএমএসের মাধ্যমে ‘তালাক’
   কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিনেছে গুগল-নাসা
   গিনেস বুকে বাংলাদেশের ক্ষুদে কম্পিউটার প্রোগ্রামার
   টাম্বলার কিনে নিচ্ছে ইয়াহু
   সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি বসাচ্ছে সরকার
   ইন্টারনেটে আপলোড গতি কমছে না
   ইন্টারনেটে গতি ঃ রাজপথে নামছে ফ্রিল্যান্সাররা
   অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে আপলোড গতি কমালো বিটিআরসি!
   হ্যাকার থেকে নিরাপদ থাকবেন কীভাবে?
   দশ কোটিতে 'উইন্ডোজ ৮'
   লন্ডনে দেশি ই-বাণিজ্য প্রদর্শনী
   কমছে ব্যান্ডউইথের দাম
   পানিতেই চার্জ হবে স্মার্টফোন!
   উইন্ডোজ ফোনে নকিয়ার প্রথম কোয়ার্টি হ্যান্ডসেট!
   সংবাদমাধ্যমে নীরবেই হচ্ছে ‘স্মার্ট বিপ্লব’!
   ৯ মাসেই ১০০ কোটিতে পৌঁছবে অ্যানড্রইড!
   মহাকাশ যাত্রায় ভোস্তক
   পিপীলিকা খুঁজবে আপনার তথ্য!
   মারজান আহমেদ আমাদের এক বিশ্বসেরা
   স্যামসাংয়ের মুনাফা বেড়েছে দেড় গুণ
Chief Editor: Nazrul Minto
editor@deshebideshe.com
Contact: 71 Highview Ave, Toronto, ON, M1N 2H4, Canada
Tel: 416 699 9833, email: info@deshebideshe.com