গড় রেটিং: 4.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
|
|
|
|
|
Update : 0000-00-00 00:00:00
|
দিল্লির তোপের মুখে ফেসবুক, ইউটিউব
নয়া দিল্লি, ২৪ ডিসেম্বর: সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট নিয়ে বেশ কয়েক দিন গরম ছিল ভারতের রাজনীতি, সেই সঙ্গে জল্পনা চলছিল নানা মহলে। লাগাম টানার এই উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনার খোরাক হয়েছিল নেট-প্রেমি নাগরিকের। আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট, ইউটিউবসহ ২১টি ওয়েবসাইটকে অবমাননাকর মন্তব্য, লেখা অথবা ছবি সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিল দিল্লির এক আদালত। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অভিযুক্ত এই ২১টি সংস্থাকে আদালতের কাছে লিখিতভাবে তাদের বক্তব্য পেশ করতে হবে। অন্যথায় অবমাননার দায় বর্তাবে এই ওয়েবসাইটগুলির ওপর।
সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার সরব হওয়ার পর আপত্তিকর ছবি ও বিষয়বস্তু সরিয়ে দেয়ার কথা জানিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি বলেই জানায় কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি নিয়ে টেলিকম মন্ত্রী কপিল সিবল ফেসবুক, গুগল, মাইক্রোসফট, ইয়াহুর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। যদিও তখন মন্ত্রীর সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি তারা। শুধুমাত্র, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছিল।
এদিকে, ইন্টারনেটে সেন্সর বসানো নিয়ে দেশজুড়ে বির্তকের ঝড় ওঠে। প্রায় মাস তিনেক আগে গুগল ও ইয়াহুতে এমন কিছু ছবি তোলা হয় যাতে ভারতীয়দের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। বহুবার ওই সাইটগুলির কর্তৃপক্ষকে লেখা সত্ত্বেও তারা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটে মনমোহন সিং, সোনিয়া গান্ধীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের আপত্তিজনক ছবি নিয়ে চলতি মাসের শুরুতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল কেন্দ্র।
রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে অবমাননাকর, উস্কানিমূলক মন্তব্যের ওপর লাগাম টানার কথা বলে ফেসবুককে সতর্ক করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রী কপিল সিব্বল জানিয়ে দেন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করলেও, এধরনের বিষয় কোনোভাবেই মেনে নেবে না কেন্দ্র। গুগল এবং ফেসবুককে বার্তা দিয়ে সিব্বল বলেন, সংস্থার নিজেদের এমন ব্যবস্থা থাকা উচিত যাতে আপত্তিজনক কিছু নজরে আসা মাত্রই সাইট থেকে সরিয়ে নিতে পারে তারা।