লগ-ইন
¦ নিবন্ধিত হোন
Logo
Chief Editor: Nazrul Minto
editor@deshebideshe.com
Saturday | 25 May | 2013
 
Default Page
Bangla Problem
FB
Twitter
RSS

গড় রেটিং: 1.7/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

Update : 2012-10-25 09:56:43

ফুলে ফুলে কবিকে বিদায়

 

কলকাতা, অক্টোবর ২৫- পাঠক, ভক্ত আর সহকর্মীদের শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়ে চীর বিদায় নিলেন কবি, কথাশিল্পী সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, যাকে ‘সেই সময়’ ও ‘প্রথম আলো’র মতো উপন্যাস আর আবেগঘন বহু কবিতার জন্য দুই বাংলার মানুষ মনে রাখবে বহুদিন। 
 
সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই লেখকের মরদেহ বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার শব সংরক্ষণাগার পিস হেভেন থেকে নিয়ে যাওয়া হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল আনন্দবাজার পত্রিকার কার্যালয়ে। সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রবীন্দ্রসদনে। 
 
পশ্চিমবঙ্গের শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীরা ছাড়াও হাজারো ভক্ত পাঠক তাদের প্রিয় সাহিত্যিকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রীবন্দ্র সদনে জড়ো হন। সেখানেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আবিদা ইসলাম এই কথাশিল্পীর কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। 
 
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহাবুবুল হক শাকিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 
 
এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, মন্ত্রীসভার বর্তমান পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বামফ্রন্ট সভাপতি বিমান বসু ও বিরোধী দলীয় নেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্রসদনে যান। 
 
চলচ্চিত্রকার মৃণাল সেন ও অপর্ণা সেন, কবি শঙ্খ ঘোষ, ঔপন্যাসিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও শংকরও ফুল দেন সুনীলের কফিনে। 
 
সবশেষে রবীন্দ্রসদনে যান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি ফুল দিয়ে কবিকে শ্রদ্ধা জানানোর পর পায়ে হেঁটে শুরু হয় শবযাত্রা। 
 
শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার শৈশব ও কৈশরের স্মৃতি বিজড়িত দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে। বেলা আড়াইটার দিকে সেখানেই তাকে দাহ করা হয়। 
 
সোমবার রাত ২টায় কলকাতায় নিজের বাড়িতে মারা যান ৭৮ বছর বয়সী এই সাহিত্যিক। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। 
 
একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, সাংবাদিক ও কলাম লেখক সুনীলের জন্ম ১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের মাদারিপুরে। পরিবারের সঙ্গে কলকাতা চলে যান মাত্র চার বছর বয়সেই। তবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এবং ব্যক্তিগত সফরে বেশ কয়েকবারই বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। 
 
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধও গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল তরুণ সুনীলকে। ১৯৭১ সালের সেই দিনগুলোয় বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ঘুরে তিনি কলম চালিয়েছেন জন্মস্থানের মানুষের পক্ষে। 
 
মৃত্যুর পর সুনীলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কবির ইচ্ছানুযায়ী তার মরদেহ কলকাতার মেডিকেল কলেজে দান করা হবে। কিন্তু তার একমাত্র ছেলে সৌভিক গঙ্গোপাধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে কলকাতায় ফেরার পর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়। তবে তিনি ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন না বলে কেওড়াতলা শ্মশানে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। 
ওপার বাংলার আরও সংবাদ
   তারা নিউজ অধিগ্রহণের মমতার পরিকল্পনায় বাধ সাধল দিল্লী
   লন্ডনে স্ত্রীকে খুন করে কাছাড়ে ধৃত বাংলাদেশি
   তারা চানেল কিনতে চায় মমতার সরকার
   পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা ৯ কোটি ঃ মুসলিম ২৭.৮ শতাংশ
   নিজের সরকারকে ফেসবুকে সার্টিফিকেট মুখ্যমন্ত্রীর
   ত্রিপুরায় ৩ সংবাদকর্মীকে কুপিয়ে খুন
   ‘পুত্রবধূরা কাজের বুয়া নয়’
   পঞ্চায়েত ভোট করতে হবে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে, রায় ডিভিশন বেঞ্চের
   মুখের কথায় তালাক মানবেন না মুসলিম মেয়েরা
   ভারতে আরো উন্নত হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবস্থা
     বাংলাদেশ স্টাডি সেন্টার খুলবে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
   সুদীপ্তর চিঠিতে ২২ জনের নাম, কাঠগড়ায় তৃণমূল
   তারা টিভির মালিক সুদীপ্ত রিমান্ডে
   সীমান্ত চুক্তি নিয়ে সংবিধান সংশোধনী বিল উত্থাপিত হয়নি
   পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনে কুমির ২৪০টি
   ত্রিপুরায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষিত
   বর্ষবরণে শাহবাগের পাশে কলকাতা
   হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন মমতা
   নয়াদিল্লিতে তোপের মুখে মমতা, পশ্চিমবঙ্গে ভাঙচুর-হামলা
   আসামে উলফার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
Contact: 71 Highview Ave, Toronto, ON, M1N 2H4, Canada, Tel: 416 699 9833, email: info@deshebideshe.com