নিউইয়র্ক, ২৫ অক্টোবর- বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি এম আজিজকে গ্রেপ্তার করার পর কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে নিউইয়র্ক পুলিশ। মারপিটের অভিযোগে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা প্রাপ্ত এম আজিজ গতকাল মঙ্গলবার পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করেন। সোসাইটির সাবেক কার্যকরী সদস্য ও জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মিয়া আজমকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিটি সেলে ঢুকে গত ১০ অক্টোবর এম আজিজ প্রচন্ড এলো পাথারি আঘাতে রক্তাত্ত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাবার পর পুলিশ এসে আজমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং এম আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করে।
বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্কের বাংলাদেশী সংগঠনগুলোর আমব্রেলা সংগঠন হিসাবে বিবেচিত। ফলে এর সভাপতি পদটি বিশেষ সম্মানের বিবেচনা করা হয়। ফেডারেল রিজার্ভ ভবন বোমা মেরে উড়িয়ে দেবার ঘটনায় বাংলাদেশী নাফিস গ্রেপ্তার হবার পর সোসাইটির সভাপতি গ্রেপ্তার হবার ঘটনাটি এখন নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউিনিটিতে আলোচিত ঘটনা।
এদিকে এম আজিজের হাতে মিয়া আজম লাঞ্চিত হবার ঘটনায় জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল ১২ অক্টোবর। তার আগের দিন মানিকগঞ্জ সমিতি ইউএসএ তাদের সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মিয়া আজমের উপর এম আজিজের আক্রমণকে ন্যাক্কারজনক অ্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল জ্যাকনস হাইটসে। অন্যদিকে ১৩ অক্টোবর মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতি এম আজিজের সমর্থনে আয়োজন করেছিল সংবাদ সম্মেলনের। এম আজিজের হাতে আজম লাঞ্চিত হবার ঘটনাটি নিন্দনীয় হলেও কোন কোন সংগঠন ও মিডিয়া এই ঘটনায় এম আজিজকে সমর্থন করায় কমিউনিটিতে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছিল। বাংলাদেশে সোসাইটির ৩৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এর কোন সভাপতি গ্রেপ্তার হলেন। এর আগে ২০০২ সালে চাঞ্চল্যকর ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতী মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সেময়ের সোসাইটির সহ সভাপতি এম সামাদ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।