শেষযাত্রায় অগনিত মানুষের ঢল। প্রয়াত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দেহ শায়িত রাখা হয়েছিল রবীন্দ্রসদনে। তাঁর অগনিত অনুরাগীরা শ্রদ্ধা জানালেন বাংলা সাহিত্যের প্রয়াত যুগপুরুষকে। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে বিরোধীরা সকলেই। উপস্থিত ছিলেন সব প্রজন্মের কবি সাহিত্যিকেরা। এদিন সকাল ১০ টা নাগাদ তাঁর মরদেহ নিয়ে পিস হাভেন থেকে রওনা দেয় শববাহী যান। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে আনন্দবাজার দফতর হয়ে পৌঁছয় রবীন্দ্রসদনে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যও রবীন্দ্রসদনে প্রয়াত সাহিত্যিককে শেষশ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রিয় নীললোহিতকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করেছেন অগনিত মানুষ। বেলা ১২ টা ২৫ নাগাদ রবীন্দ্রসদন থেকে মরদেহ যায় সাহিত্য অ্যাকাডেমিতে। সেখানেও ছিল মানুষের ঢল। সেখান থেকে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা শ্মশানে। পুরোদস্তুর নাস্তিক, বামপন্থী ঘরানার সুনীলের শেষ ইচ্ছে ছিল, তার মরদেহ চিকিৎসার জন্যে মেডিকেল কলেজে দান করার। সেইমতো তিনি আগেই অঙ্গীকারপত্র করে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার পুত্রের আপত্তিতে সেই ইচ্ছে পুরন হয়নি। তবে তার পরিবার জানিয়েছে, যেহেতু সুনীল পছন্দ করতেন না, সেহেতু তার কোন ধর্মীয় শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হবে না। তার বাড়িতে হবে স্মরনানুষ্ঠান।