লঘু পাপে গুরুদন্ড ও অধিক পাপে লঘু দন্ড বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে ফেডারেশনের বাইরের কেউ হলে তাকে গুরুদন্ড ও ফেডারেশনের কর্মকর্তা হলে লোক হাসানো সিদ্ধান্ত দিতে পারদর্শীতা দেখিয়ে চলেছে বাফুফে। শনিবার আবারো সেটার পুনরাবৃত্তি করা হলো বাফুফে সহ-সভাপতি আরিফ খান জয়ের ফুটলাঙ্গন তোলপাড় করা ঘটনায়।
ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মোহামেডান ও টিম বিজেএমসির মধ্যকার ম্যাচে বিরতির সময় পিস্তল নিয়ে ডাগআউটে যাওয়া ও রেফারির সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে টিম বিজেএমসির পরিচালক আরিফ খান জয়কে। একই সঙ্গে তাকে এক বছরের স্থগিত দ-াদেশ দেওয়া হয়। যার অর্থ এক বছরের মধ্যে ফের এমন ঘটনা ঘটালে তখন এই দন্ড কার্যকর হবে। অথচ জয়ের অপরাধ ছিলো তিনটি। প্রথমত, বাফুফে কর্মকর্তা হয়ে বাইলজ ভঙ্গ করে ম্যাচ চলাকালীন ডাগ আউটে যাওয়া, মাঠে অস্ত্রবহন ও রেফারির সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হওয়া। কিন্তু আর্থিক দন্ড আর এক বছর স্থগিত দন্ডাদেশের সিদ্ধান্ত দিয়েছে মেজবাহ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি।
শনিবার ডিসিপ্লিনারি কমিটি অপর সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে সহকারী রেফারিকে লাথি মারার অপরাধে শেখ রাসেলের কর্মকর্তা রেজাউল করিমকে ২০ হাজার টাকা ও নিজ দলের ৬ ম্যাচে স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা এবং মোহামেডানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে অখেলোয়াড়ি সূলভ আচরণের জন্য শেখ রাসেলের উইঙ্গার জাহিদ হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করা এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন মিনিট দেরী করে মাঠে নামায় আবাহনীকে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।