Tuesday, September 07, 2010   
  Home Archive Advertisment Contact Us About Us  
কক্সবাজার শহর, টেকনাফ ও উখিয়া এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে সোমবার গভীর রাত এবং মঙ্গলবার ভোরে পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী, শিশুসহ ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।        
 
 ফেসবুক ব্যবহার করে শেয়ারবাজারে কারসাজি
তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউসের একজন কর্মকর্তাকে র্যাব গ্রেপ্তার করেছে। ওই কর্মকর্তার নাম মাহবুব সরোয়ার। তিনি ব্রোকারেজ হাউসের বাজার-বিশ্লেষক। র্যাব সূত্র জানায়, গতকাল সন্ধ্যায় মাহবুবকে বনানীর ইকবাল সেন্টারে ব্যাংকের কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কারসাজির কথা র্যাব কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেছেন। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল জিয়া আহসান প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংক কর্মকর্তা মাহবুব তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য বেছে নিয়েছেন জনপ্রিয় সামাজিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট ফেসবুককে। এ ছাড়া ইয়াহু ও ব্লগার ওয়েবসাইট তিনি ব্যবহার করে থাকেন। এর মধ্যে ফেসবুকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য তিনি একটি বিশেষ গ্রুপ তৈরি করেছেন। তাঁর গ্রুপে তিন হাজারের মতো সদস্য রয়েছেন। মাত্র দুই মাসের মধ্যে তিনি এসব সদস্য সংগ্রহ করেন। তিনি এসব সদস্যকে কোন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনতে হবে, কোনটা বিক্রি করতে হবে, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বিনিময়ে তিনি লাভের অংশ থেকে ২০ শতাংশ করে পাচ্ছেন। র্যাব কর্মকর্তা বলেন, মাহবুবের পরামর্শমতো এভাবে প্রতিদিন প্রায় এক হাজারের মতো ক্রেতা একই ধরনের শেয়ারের দিকে ঝুঁকছেন। আবার তিনি যখন বিক্রি করতে বলছেন, তাঁরা এক দিনেই সব শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন। এতে করে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কখনো পরিস্থিতি এমন আকার ধারণ করছে যে তা বাজার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। র্যাব সূত্র জানায়, বেশি কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে এ ধরনের তত্পরতা নিয়ে কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন ছিল। কিন্তু তারা বুঝতে পারছিল না, কী করে এসব হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তারা বিষয়টি দেখার জন্য র্যাবের সহায়তা চায়। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দুই পরিচালক র্যাবের সঙ্গে অভিযানে নামেন। তাঁরা জানতে পারেন, একটি ই-মেইল হিসাব থেকে এ ধরনের পরামর্শ আসছে। এতে করে একশ্রেণীর ক্রেতা বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করছেন। র্যাব গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তারা ই-মেইল ঠিকানার মাধ্যমে গতকাল মাহবুবকে শনাক্ত করেন। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব কর্মকর্তারা মাহবুবের ব্যাংক-হিসাব পরীক্ষা করে দেখেন, মাত্র দুই মাসে তাঁর ব্যাংক-হিসাবে ২৩ লাখ টাকা জমা হয়েছে। র্যাবের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক কমান্ডার সোহায়েল আহমেদ বলেন, মাহবুবের নেটওয়ার্কে পাঁচ হাজারের ওপরে বিনিয়োগকারী রয়েছেন। প্রতিদিন এর সংখ্যা বাড়ছিল। এভাবে পরিস্থিতি ভয়ংকর অবস্থায় চলে যেত। মাহবুবকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হচ্ছে।
 
 
 
Canada Office : 71 Highview Avenue, Toronto, ON, M1N 2H4, Phone: 416-699-9833, Toll Free: 1-800-876-4358, Email: info@deshebideshe.com