|
|
| দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট |
|
|
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেটের সামনে (তখনকার আমতলা) স্মরণ করা হলো সেই ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’কে। আজ একুশে ফেব্রুয়ারি বেলা তিনটা ২০ থেকে তিনটা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এই স্মরণ চলে। স্মরণ করা হয় বায়ান্নের একুশে ফেব্রুয়ারির তিনটা ২০ থেকে তিনটা ৫০ মিনিট। স্মরণ করা হয় সেই সময়ের অবিস্মরণীয় ঘটনাবলিকে। শ্রদ্ধা জানানো হয় চলমান ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে নতুন ইতিহাসের নির্মাতাদের।
বাংলা, বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার শক্তিকে আগামীর আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার অনুপ্রেরণায় রূপান্তরের লক্ষ্যে ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’ উদযাপনের আয়োজন করে প্রথম আলো ও গ্রামীণফোন।
বায়ান্নের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের আমতলায় দলে দলে ছাত্র-জনতা জড়ো হয়েছিল। মুখে স্লোগান, বুকে সাহস। মিছিলে প্রকম্পিত হলো রাজপথ—‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই।’ সে দিন ছাত্রদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে পরিস্থিতি মুহূর্তে পাল্টে গিয়েছিল। ছাত্রদের আন্দোলন হয়ে উঠেছিল সবার। ওই মাহেন্দ্রক্ষণে বাংলাদেশের ইতিহাস এক নতুন যুগে প্রবেশ করে।
আজ সেই জায়গায়, সেই সময়ে আবার রচনা করা হয় সেই নিয়তি-নির্ধারণী ৩০ মিনিট। ঐতিহাসিক সেই সময়টিকে অনুভব করার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ‘দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট’-এর আয়োজন করা হয় আজ।
আজ সেই মিছিল আবারও হয়, তবে নতুন দিন শুরু করার আহ্বানে। আজকের মিছিল শুরু করেন তাঁরাই, যাঁরা সে দিনের মিছিলে ছিলেন। বায়ান্নের ভাষাসংগ্রামীদের স্লোগানে গলা মেলায় এ প্রজন্ম। ভাষাসংগ্রামীসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তি আর সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল নাট্যরূপের মাধ্যমে একুশের সেই সময়কে তুলে ধরা, ভাষাসংগ্রামীদের সম্মানিত করা, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, গান ও কবিতা পাঠ।
উদ্দেশ্য একটা, সময়কে গুরুত্ব দিয়ে এ প্রজন্মের মধ্যে একুশের তাত্পর্য তুলে ধরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাষাসংগ্রামী আব্দুল মতিন, আহমদ রফিক, আনিসুজ্জামান, সাঈদ হায়দার, শরফুদ্দিন আহমদ, মুর্তজা বশীর, রওশন আরা, হালিমা খাতুন, সুফিয়া আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে বেসরকারি টেলিভিশন—চ্যানেল আই, এটিএন বাংলা, এনটিভি, আরটিভি, দেশ টিভি, ইটিভি ও বাংলাভিশন এবং বেসরকারি এফএম রেডিও—রেডিও টুডে ও এবিসি রেডিও।
|
| |
|
|