Friday, September 10, 2010   
  Home Archive Advertisment Contact Us About Us  
কক্সবাজার শহর, টেকনাফ ও উখিয়া এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে সোমবার গভীর রাত এবং মঙ্গলবার ভোরে পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী, শিশুসহ ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।        
 
উল্টো রাজার দেশ
কানাডার অনেক কিছুই আমাদের কাছে আজব মনে হয়। সবকিছুই কেমন জানি খাপছাড়া। এ দেশে নতুন একজন আগন্তুকের কাছে ভালো লাগার পাশাপাশি অনেক কিছু বিস্ময়ও জাগায়। পানির কল ঘুরোতে হয় উল্টো, তালা খুলতে গেলে উল্টো, গাড়ি চালাতে হয় উল্টো (ডানদিকে)। এ যেন উল্টো রাজার দেশ।
মানুষ মানুষের জন্য
মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দান করার সংবাদ নতুন কিছু নয়। ধনী দেশগুলোতে বিভিন্ন উপলক্ষে মানুষ রক্ত দান করে থাকে। কেউ কেউ মৃত্যুর আগে লিখে যায় তার চোখ যেন কোন দৃষ্টিহীনকে দান করা হয়। কিডনীও লোকে দান করে। কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর স্ত্রীর দুটো কিডনী নষ্ট হয়ে যায়। বাঁচা মরার প্রশ্ন ছিল। বন্ধুটি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। হাসপাতাল আর ডাক্তারের চেম্বারে তাকে সকাল বিকাল দৌড়াতে হতো। ঐ ফ্যামিলি ডাক্তারের চেম্বারে এক ভিনদেশী মেয়ে কাজ করে। মেয়েটির বিয়ে হয়নি। বন্ধুর অবস্থা দেখে সে মেয়েটি একদিন প্রস্তাব রাখলো –‘দেখো’, আমার রক্তের গ্রুপের সাথে যদি তোমার স্ত্রীর রক্তের মিল হয় তবে আমি আমার একটা কিডনী তাকে দান করতে চাই’।
ওয়েলকাম টু কানাডা
কানাডা এমন একটি দেশ যে দেশ সবসময় নতুনদের স্বাগত জানায়। শুধু দেশ বলে কথা নয়; এ দেশের মানুষ এবং প্রকৃতি উভয়ই যেন নতুনদের স্বাগত জানাতে উন্মুখ হয়ে বসে থাকে। এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে ওয়েলকাম টু কানাডার যাত্রা শুরু। তারপর তো ওয়েলকাম আর ওয়েলকাম। বাসা ভাড়া নিন-ওয়েলকাম। গাড়ি কিনুন-ওয়েলকাম। ইন্সুরেন্স নিন-ওয়েলকাম। বাড়ি কিনুন-ওয়েলকাম। আপনার পকেট থেকে যত বেশি উজাড় করে দিতে পারবেন ততই ওয়েলকাম বেশি করে পেতে থাকবেন। দিতে পারার মধ্যেই নাকি আনন্দ বেশি। আর সে আনন্দের গর্বিত ভাগিদার দেখছি কেবল নবাগত ইমিগ্রেন্টরাই!
প্রতারনা : কানাডিয়ান ষ্টাইল
প্রতারনা আছে যুগে যুগে, দেশে দেশে। বাংলাদেশে আছে, আমেরিকায় আছে, কানাডাতেও আছে। আইনের দেশে থেকেও আইনকে ফাঁকি দেওয়ার ঘটনা এদেশে হর হামেশা ঘটছে। কোথাও কোথাও এটা জায়েয বা লিগ্যাল হয়ে গেছেও বলা যায়। ফ্রড আর ট্রিকের ইংরেজী বানান ছাড়া আভিধানিক অর্থে তেমন কোন পার্থক্য যদিও নেই তবুও কানাডার লোকেরা সহজে ফ্রড শব্দটা ব্যবহার করে না। ট্রিকি হতে পারার মধ্যে কোথাও যেন বাহাদুরী আছে। গাড়ি কিনতে যান, বাড়ি কিনতে যান, বীমার পলিসি কিনুন অথবা আইনজীবীর কাছে যান সবখানেই একই অবস্থা। আপনাকে সতর্ক হয়ে কথা বলতে হবে। বুঝতে হবে। ধীরে সুস্থে এগুতে হবে। তারপর পকেটে হাত দিন অথবা কলম বের করুন। আবেগে আপ্লুত হলেই কিন্তু গচ্চা!
বিয়ে : আমেরিকান ষ্টাইল
উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশ কমিউনিটি দিন দিন বড় হচ্ছে। যত দিন যাচ্ছে কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মকা- সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে আজকাল সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকা-ের ব্যাপ্তি দেখলে কিছুটা আন্দাজ পাওয়া যায়। নিউইয়র্ক, টরন্টো, মনট্রিয়লসহ বিভিন্ন শহরে যেসব বাঙালি দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছেন তাদের ছেলেমেয়েরা এখন বড় হয়ে গেছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এখন সামনে। অনেক অভিভাবকরা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
অপরাধ: কানাডিয়ান ষ্টাইল
প্রিয় পাঠক, আপনি জানেন কি, কানাডার অন্যতম নগরী টরন্টাতে কতজন গৃহহীন নর-নারী বাইরে রাত কাটায়? অবাক হলেও সত্য যে প্রায় ৪ হাজার ৭শত লোক এ শহরে গৃহহীন। গৃহহীনদের সেন্টার বা আশ্রয়কেন্দ্রে এখন আর জায়গা হয় না। প্রায় পাঁচশত লোক নগরীর খোলা পার্কে, দোকানের বারান্দায়, ফুটপাতে নিদ্রা যায়। এ দৃশ্য স্বচক্ষে দেখতে চাইলে খুব ভোরে ডাউন টাউনে চলে আসুন। পার্কের বেঞ্চে, অলিতে গলিতে, নদীর পাড়ে আপনার চোখে পড়বে আজব এ দৃশ্য। জাতিসংঘের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত বিশ্বের প্রথম সারির ধনী দেশটির অন্যতম নগরীর এ অবস্থা দেখলে কিছুক্ষণের জন্য হলেও আপনি চিন্তিত হবেন।
গবেষণা : আমেরিকান ষ্টাইল
উত্তর আমেরিকার কত রকমের গবেষণা চলছে তার ইয়ত্তা নেই। কে কতটুকু খবর রাখতে পারে? সম্প্রতি একটি গবেষণার রিপোর্টের প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। গবেষণাটি টেলিভিশন দেখা নিয়ে। অরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানী অ্যালেক্সিস ওয়ার্কারের এ বিষয়ক একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্ণাল অব মেরেজ এ- দ্য ফ্যামিলি’ ম্যাগাজিনে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, পুরুষরা টেলিভিশন দেখার সময় রিমোট কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রণ করেন। বিবরণে বলা হয়, স্বামী-স্ত্রী একসাথে যখন টেলিভিশন দেখেন তখন বেশির ভাগ স্বামী রিমোর্ট কন্ট্রোল হাতে রেখে ইচ্ছেমতো চ্যানেল বদলাতে থাকেন।
ফুল নিয়ে কতকথা
এ কথা কারো অজানা নয় যে, ইউরোপ-আমেরিকার নাগরিকরা ফুল খুব ভালবাসে। বসন্তের শুরুতে ফুলের চারা, মাটি আর ঘাস বিক্রি করে কুল পায় না দোকানিরা। অবাক বিষয় হচ্ছে কিছু কিছু ফুলের গাছ আছে যেগুলো এক ঋতুতেই শেষ। এক জীবনে ফুল একবারই ফোটে। এসব দেশে ফুল ভালোবাসে না এবং ফুল আদান-প্রদান করে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এমন বাড়ি নেই যে বাড়ির আঙ্গিনায় একটি ফুলের গাছ নেই।
উত্তর আমেরিকার শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
সম্প্রতি চমকে উঠার মতো একটি তথ্য উদঘাটন করেছেন টরন্টোর বিশিষ্ট সাংবাদিক মাইকেল শেপার্ড। তিনি গত ছয় মাস ধরে বৃহত্তর টরন্টোর ২৯টি হাইস্কুলের ১০১৯টি শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নিয়ে যে তথ্য প্রদান করেছেন তা পড়ে পুলিশ প্রশাসন, অন্টারিও সরকার, যাদের ছেলে মেয়ে হাইস্কুলে যায় তাদের মাথা ঘুরছে।
সিঙ্গেল পেরেন্ট ও কানাডার হত্ভাগ্য শিশুরা
উন্নত বিশ্বের নাগরিকরা দেরীতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ৩০ বছর থেকে ৩৫ বছর হচ্ছে ষ্ট্যান্ডার্ড। তা ছেলে হোক আর মেয়ে হোক। টরন্টোতে একবার ষাটোর্ধ্ব এক মহিলার সাথে দেখা বাস ষ্টেশনে। এ কথা সে কথার পর জিজ্ঞেস করলাম তার ছেলে মেয়ে ক’জন। আকাশ থেকে পড়ার ভান করে বললো, আমার তো বিয়েই হয়নি। উল্টো আমি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম। (পরে জানতে পারলাম উত্তর আমেরিকায় বয়স কত, বিবাহিত কি না, বাচ্চা ক’জন, কোন ধর্মের অনুসারী এসব জিজ্ঞেস করা শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না)।
হ্যাপি নিউ ইয়ার
আরেকটি নতুন বছরে পা রাখতে যাচ্ছি আমরা। ঘটানাবহুল ২০০৯ সাল এখন অতীত। অতীত ছাড়বার পাত্র নয়। অতীতের বোঝা বয়ে যেতে হয়। আমাদের পূর্ব পুরুষেরাও বয়ে গেছেন, আমরাও বয়ে যাবো। অবশ্য আজকাল কেউ অতীত নিয়ে অতশত চিন্তা করে না। নিরন্তর পরিবর্তনশীল এ পৃথিবীতে অতীত নিয়ে চিন্তার অবকাশ নেই কারো। জ্ঞানীরা বলেন, অতীত থেকে কেবলই মানুষ শিক্ষা নিতে পারে। অতীত হচ্ছে ভবিষ্যতের সিঁড়ি। তাইতো দেখি ভবিষ্যতের পানে ছুটে চলছে মানুষ। বর্তমান নিয়েও মানুষের তেমন ভাবনা নেই। যত ভাবনা ভবিষ্যত নিয়ে। সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মানে মানুষ ছুটছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে। উন্নত ভবিষ্যতের আশায় মানুষ যেতে চাচ্ছে এক গ্রহ থেকে অন্য গ্রহে।
উত্তর আমেরিকানদের অস্থিরতা
ক্যানাডা ও আমেরিকার ভোর আমার কাছে খুব ভাল লাগে। টরন্টো, মনট্রিয়ল, নিউ ইয়র্ক যেখানেই গিয়েছি কাক ডাকা ভোর (যদিও এখানে কাক ডাকে না) আমাকে অবাক করে দিয়েছে। না নৈসর্গিক কোন দৃশ্য দেখে নয়। অবাক হয়েছি সাত সকালের জনস্রোত দেখে। বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় শীতের দেশের মানুষ ভোর চারটায় ঘুম থেকে ওঠে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। মানুষ দৌঁড়ৃচ্ছে, দৌঁড়ে দৌঁড়ে বাসে উঠছে, ট্রেনে উঠছে। কি সে গতি মানুষের! মনে মনে ভাবি যে দেশের সকাল শুরু হয় গতির প্রতিযোগিতা করে সে দেশের উন্নতি না হয়ে পারে কি!
মামলা : আমেরিকান ষ্টাইল
উত্তর আমেরিকার বাসিন্দারা কথায় কথায় একে অন্যকে কোর্টের ভয় দেখায়। আগে ভাবতাম এটা নিছকই কথার কথা। কিন্তু এখন দেখি- না, এগুলো খুবই সত্যি। কারো বাড়ির বারান্দায় কেউ আছাড় খেয়ে পড়লে, কারো পোষা কুকুর বা বেড়াল কাউকে কামড়ালে, গভীররাতে চিৎকার করে কারো ঘুম ভাঙলে ভুক্তভোগি যে কেউ আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে এবং মিলিয়ন ডলারের মামলা ঠুকে দিতে পারে।
মেরি ক্রিসমাস
বড়দিন সমাগত। রঙিন বাতি দিয়ে বাড়িঘর সাজানো হয়েছে নানান রঙে; নানান ঢঙে। যদিও দিনগুলোতে মানুষ খুবই ব্যস্ত তারপরও মুখে হাসি। কাজ থেকে ফিরে ছেলেমেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে ছুটছেন কেনাকাটা করতে। যারা সময় পাচ্ছেন না তারা বেছে নিয়েছেন উইকএ-। অনেকেই বলছেন এ বছরটি অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক ভালো। বিশেষ করে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে।
প্রাণীর প্রতি ভালবাসা
কানাডাতে একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখা গেছে, অনেক কানাডীয়ানরা ঘরে পোষা প্রাণী রাখেন। সন্তানাদি নেই, বিয়ে হয়নি এমন লোক ছাড়াও বৃদ্ধ লোকেরাও কুকুর বা বেড়াল পোষেন। শুধু পোষাই নয়, এদের জন্য তাদের যথেষ্ট ভালবাসা রাখেন। মৃত্যুর পূর্বে ধনসম্পত্তি ছেলে মেয়েকে না দিয়ে কুকুর-বেড়ালের নামে লিখে যাওয়ার ঘটনাও শোনা যায়।
গ্রাহাম বেলের আবিষ্কার
১৮৭৬ সালে ক্যানাডার আলেকজা-ার গ্রাহাম বেল কর্তৃক টেলিফোন যন্ত্রটি আবিষ্কারের পর এ নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। এই একটি মাত্র যন্ত্র মানব সভ্যতাকে কতটুকু এগিয়ে নিয়ে গেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আজ সভ্য পৃথিবীতে টেলি যোগাযোগ ছাড়া বসবাসের কথা মানুষ চিন্তা করতে পারেনা। আজ টেলিফোন না থাকলে অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা থেকে শুরু করে প্রায় সকল ব্যবসা-বাণিজ্য অচল হয়ে যাবে।
কানাডার মুসলমান সম্প্রদায়
স্বীকার করুন আর নাই করুন দেশের চাইতে বিদেশে বাঙালির ধর্ম কর্ম বেশি দেখা যায়। শুধু বাঙালি বলে কথা নয় অন্যান্য দেশীয়দেরও একই অবস্থা। বিশেষজ্ঞরা এর কয়েকটি কারণ নির্ধারণ করেছেন। প্রধান কারণ হিসেবে তারা চিহ্নিত করেছেন পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সাথে অভিবাসীদের মানিয়ে নেয়া সম্ভব নয় বিদায় নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতির উপর তারা জোর দেয়। পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধের সাথে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয়টিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
চা না কফি
কানাডার কিছু কিছু বিষয় বড়ই অদ্ভূত লাগে। অনেকেই খেয়াল করেছেন হয়তো যে, গরমে অতিষ্ঠ হয়ে আমরা যখন ঠান্ডা পানি খুঁজি তখন এদেশের লোকজন মগ ভরে চা/কফি পান করছে। আবার শীতের দিনে আমরা যখন চা/কফি পান করে শরীরকে গরম রাখতে চেষ্টা করি তখন এরা বাইরে দাঁড়িয়ে আইসক্রিম খায়।
কাঙ্খিত সমাধি
বহু রকমের বিজ্ঞাপন এ জীবনে দেখেছি কিন্তু এ রকম বিজ্ঞাপন কখনও চোখে পড়েনি। সেদিন টরন্টো ষ্টার পত্রিকায় বিশাল এক বিজ্ঞাপনের দিকে চোখ পড়লো। বিজ্ঞাপনটি একটি কবরস্থানের। “আপনি নিশ্চয় এমন একটি স্থানে আপনার সমাধি হোক চান না যেখানে আপনাকে স্মরণ করে আপনার পরিবার এবং বন্ধু বান্ধবদের যেতে কষ্ট হবে। অতঃপর আপনার সমাধিতে একটি ফুল দিতেও কেউ কোনদিন আসবে না। এই কথা চিন্তা করেই আমরা ডাউন টাউন টরন্টোর এমন একটি মনোরম জায়গা বেছে নিয়েছি। ছায়া সুশীতল, বৃক্ষশোভিত, বিশাল সরোবরের তীরে আপনার সমাধির স্থান আজই বেছে নিন।
লম্বা মানুষদের ক্লাব
সমস্যা সঙ্কুল পৃথিবী। সমস্যার অন্ত নেই। তারপরও জীবন চলে। একেকজনের একেক সমস্যা। এই যেমন টরন্টোর জেরি রোজ নামে এক মহিলার কথাই ধরা যাক। তার উচ্চতা ৬ ফুট ১ ইঞ্চি। এই উচ্চতাই তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল এক সময়। ১২ বছর বয়সেই সে এ উচ্চতা লাভ করে। অল্পবয়সী একটি মেয়ের এমন উচ্চতা সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা। তার সমস্যা ছিল বহুমুখী। দোকানে তার সাইজের পোশাক পাওয়া যেতো না, তাকে দেখলে সবাই তাকিয়ে দেখতো, দুই দরজা বিশিষ্ট গাড়িগুলোতে সে উঠতে পারতো না, সিনেমা কিংবা নাটক দেখতে এসে সামনে বসলে পেছনের লোকদের অসুবিধা হতো।
নাম সমাচার
আমার এক বন্ধু নিউইয়র্ক থেকে ফোন করে সংবাদ দিল যে, তার একটি ছেলে হয়েছে। কংগ্রেচুলেশন জানালাম। বললো হাসপাতালে নাম রেজিষ্ট্রি করতে হবে অতএব নাম দরকার। আজই দরকার। জিজ্ঞেস করলাম- নাম আগে থেকে ঠিক করোনি? বললো, একটা ঠিক করেছি সে ব্যাপারেই আলাপ করতে চাচ্ছি। আমার স্ত্রী চাচ্ছে ‘নুহাস’ রাখতে। হুমায়ূন আহমেদের ছেলের নাম। বললাম, সুন্দর নাম, রেখে দাও। সে বললো এটার অর্থ কি? বললাম, দশ মিনিট পর ফোন করো। বের করলাম আরবী-বাংলা অভিধান। পাতা উল্টিয়ে নুহাস বের করে চক্ষু স্থীর। ইতিমধ্যে তার আবার ফোন। বললাম, যে অর্থ পেয়েছি তাতে তুমি ছেলের নাম নুহাস রাখবে না। অর্থ আর জিজ্ঞেস করতে যেয়ো না। তারপরও পীড়াপীড়ি শুরু করলে বললাম, নুহাস অর্থ অলক্ষী।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রোটারি বাংলাদেশ
রোটারি ইন্টারন্যাশানাল একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক এবং সেবাধর্মী সংগঠন। সারা বিশ্ব জুড়ে বর্তমানে রোটারি ক্লাবের সংখ্যা ৩২ হাজারেরও বেশি এবং এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ। রোটারি ক্লাবের সদস্যরা রোটারিয়ান হিসেবে পরিচিত। সমাজের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবি ও ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ যারা মানবতার সেবা করতে চান এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎসর্গ করতে দ্বিধান্বিত হন না তারাই এ ক্লাবের সাথে জড়িত।
সিলেটে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল!
১৯৮০ সালে গণ চীনের সেনজেন প্রদেশের একটি ক্ষুদ্র গ্রামকে পরীক্ষামূলকভাবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে সে দেশের সরকার। তারপর সেখানে একে একে স্থাপিত হতে থাকে বিভিন্ন কলকারখানা। আসতে থাকে বিদেশেী বিনিয়োগ। কর্ম সংস্থান হয় হাজার হাজার মানুষের। কাজের উদ্দেশ্যে অন্যান্য প্রদেশ থেকেও আসতে থাকে মানুষ এবং কুড়ি বছরের মধ্যে ঐ এলাকা দশ লক্ষেরও বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত এক বিরাট শহরে পরিণত হয়। ১৯৯৫ সালে ফিলিপিন্স সরকার ব্যক্তিমালিকানাধীন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের অনুমতি প্রদান করে। বর্তমানে পুরো দেশে ২০৭টি অঞ্চল স্থাপিত হয়েছে এবং আরও ৯৭টি অঞ্চল স্থাপনের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ২,২৪১টি কোম্পানীতে ৩০ লক্ষেরও বেশি লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
 
 
Canada Office : 71 Highview Avenue, Toronto, ON, M1N 2H4, Phone: 416-699-9833, Toll Free: 1-800-876-4358, Email: info@deshebideshe.com