আমেরিকানদের চেয়ে কানাডীয়রা বাঁচে বেশিদিন
আমেরিকানদের চেয়ে কানাডিয়ানরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার পাশাপাশি প্রায় তিনবছর বেশি বাঁচে। যুক্তরাষ্ট্রে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার অভাবই এ তারতম্যের কারণ বলে মনে করছেন গবেষকরা।
বুধবার যুক্তরাষেট্রর গবেষকরা একথা জানিয়েছেন।
\'বায়োমেড সেন্ট্রাল\'স পপুলেশন হেল্থ মেট্রিক্স\' জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডীয়দের বাঁচার সম্ভাবনা প্রায় ৮০ বছর। সেখানে মার্কিনিদের বাঁচার সম্ভাবনা ৭৭ বছরের কিছু বেশি সময়।
১৯ বছর বয়সের স্বাস্থ্যবান একজন কানাডীয় তরুণ আরো ৫২ বছর বাঁচতে পারে। সেখানে একই বয়সের একজন আমেরিকানের বাঁচার সম্ভাবনা ৪৯ বছর কয়েক মাস।
ওরেগনের পোর্টল্যান্ডের \'কাইজার পারমেন্টি সেন্টার ফর হেল্থ রিসার্চ\' এর ডেভিড ফিনি ও তার সহকর্মীরা বলেন, \"কানাডা ও আমেরিকা দুটি প্রতিবেশী দেশ এবং উভয় দেশের জনগণের জীবনযাত্রামান প্রায় একই হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকানদের চেয়ে কানাডীয়দের আয়ু বেশি।\"
|
বেঙ্গলি টাইমসের আয়োজনে ঢাকায় বাংলাদেশ অনলাইন কমিউনিটি কনফারেন্স
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আর্থ-সামাজিক জীবনে পরিবর্তন এনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। অনলাইন হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি। গত শুক্রবার অপরাহ্নে ঢাকার জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত \'অনলাইন কমিউনিটি কনফারেন্স-২০১০\' শীর্ষক দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে আমাদের দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনধারা বদলে যাবে। \'অনলাইন-বাংলা বিশ্বময়...\' স্নোগানকে সামনে রেখে এই কনফারেন্সের আয়োজন করে সাপ্তাহিক বেঙ্গলি টাইমস এবং দ্য বাংলা ওয়েব। প্রধান সহায়তা দিয়েছে অনলাইন কমিউনিটি অব
বাংলাদেশ। দুই অধিবেশনে বিভক্ত এই সম্মেলন থেকে অনলাইন ব্যবহারে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে অপরাধ প্রতিরোধে \'সাইবার ল\' প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।
সারাদিন শিশু-কিশোর, তরুণ-যুবাদের নানা অনলাইন প্রতিযোগিতা আর প্রদর্শনীতে মুখরিত ছিল অনুষ্ঠানস্থল। সারা বিশ্বের শতাধিক ওয়েবসাইটের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে একযোগে বিশ্বের অগণিত দেশে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মিলনায়তন প্রাঙ্গণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠানো ৫০টি ছবির একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীর বিষয় ছিল \'৫২ থেকে ৭১\' এবং \'আমার বাংলাদেশ\'। বিকেলে আয়োজন করা হয় \'অনলাইন ও আমাদের ভবিষ্যৎ\' শীর্ষক সেমিনারের। সেমিনার শেষে পুরস্কার বিতরণ, প্রকাশনা উৎসব এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।
|
দেশে বিদেশের কুড়িতম জন্মজয়ন্তীতে নৃত্য পরিবেশন করছে শিশু শিল্পী অরনী

|
দেশে বিদেশের ২০তম জন্মজয়ন্তি উদযাপিত
গত ২১শে মে ফেব্রুয়ারী ২০১০ অত্যান্ত আন্ন্দচ্ছোল আর স্মৃতিচারনের মধ্যে দিয়ে টরন্টোর নিউ কাবাব হাউজে দেশে বিদেশে পত্রিকার ২০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হলো। অনুষ্ঠানে টরন্টোর বিশিষ্ট ব্যক্তিবগ উপন্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেশে বিদেশের নিউ জেনারেশনের পক্ষ থেকে আঞ্জুমান ভূইয়া বিথিকা একুশের ভূমিকা নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী অরুনা হায়দার ও বিশিষ্ট সমাজকর্মী্, উদিচীর টরন্টোর সভাপতি আজিজুল মালিক। তারা কমিউনিটি বিনির্মানে পত্রিকার বস্তনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ভূয়সি প্রশংসা করেন।
|
কানাডায় একুশে উদযাপন
গভীর শ্রদ্ধার সাথে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে উদযাপিত হলো আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। ২১ ফেব্র“য়ারি বাংলাদেশের পাশা পাশি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরাসহ বিশ্বের বাঙালি অধ্যুষিত দেশগুলোর বিভিন্ন শহরে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। কানাডার অন্যতম টরন্টো শহরেও এবার ব্যাপক আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি দেশে বিদেশের পক্ষ থেকেও ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।
|
মারিয়া মিন্না এমপি বাংলাদেশে যাচ্ছেন
বাংলাদেশ-কানাডা পার্লামেন্টারিয়ান গ্রুপের আমন্ত্রণে সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, টরন্টোর বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা থেকে নির্বাচিত লিবারেল পার্টির সাংসদ মারিয়া মিন্না আগামী ৩রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমণির সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তাঁর সফরসূচির মধ্যে রয়েছে সিডার অর্থায়নে পরিচালিত কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন। বাংলাদেশের একটি গ্রাম ঘুরে দেখারও ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি। মারিয়া বাংলাদেশে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।
মারিয়া মিন্নার সফর সঙ্গী হিসেবে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলও তাঁর সাথে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ-কানাডা চেম্বার অব কর্মাসের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউর রহমান, আইটি ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ-কানাডা ট্রেড প্রমোশন ব্যুরোর সৈয়দ শামছুল আলম ও আলিমুর রহমান হায়দারি। এছাড়াও রয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারি নাহিদ সুলতানা শরীফ, এবং দেশে বিদেশে পত্রিকার প্রধান সম্পাদক নজরুল মিন্টো।
|
অন্য রকম বাড়ি \'লিফট হাউস\'
নিজের একটা বাড়ি। নাগরিক মধ্যবিত্তের স্বপ্ন। যদিওবা পূরণ হয়, তার পেছনে জমে যায় অনেক ঘামের ইতিহাস। রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়ে কখনো কখনো \'বাড়ি\' নামের স্বপ্নপুরী গড়ে তুলতে পারেন কেউ কেউ। এই যখন অবস্থা তখন নিম্নবিত্তের বিশেষ করে নগরীর আশেপাশে নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের কাছে বাড়ি মানে তো সোনার হরিণ। তবে আফসোসের দিন বোধহয় ফুরাল। স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য বন্যা বা অতিবৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া এলাকায় টিকে থাকতে সক্ষম সুলভ বাড়ির সন্ধান মিলেছে এবার। একই সঙ্গে নান্দনিক এবং টেকসই এ বাড়ি উপহার দিচ্ছেন কানাডার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যবিদ্যার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী, বাংলাদেশেরই মেয়ে পৃথুলা প্রসূন। স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য তিনি বানিয়েছেন ভাসমান বাড়ি \'লিফট (লো ইনকাম ওয়াটারপ্রুফ টেকনোলজি) হাউস\'।
|
কানাডিয়ান বাংলাদেশির ভাসমান বাড়ি
কানাডার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী পৃথুলা প্রসুন পানির ওপর ভাসমান বাড়ি তৈরি করে এখন বাংলাদেশের সংবাদ শিরোনামে।
ঢাকার মিরপুরে হাউজ অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটে \'লিফট হাউজ\' নামে বাঁশের তৈরি পানিতে ভাসমান বাড়ির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরি ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান।
বাড়ির স্থপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, \"পানির মধ্যে থেকে আমরা বিভিন্ন রকম ভাসমান বাড়ি তৈরি করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমাদের সিলেট অঞ্চলে বাঁশের ওপর পানিতে ভাসমান এক ধরনের বাড়ি তৈরি করা হয়।\"
লিফট হাউজের স্থপতি পৃথুলা প্রসুন জানান, বাঁশের তৈরি ভাসমান বাড়ি নির্মাণে খরচ পড়বে প্রায় দুই লাখ টাকা, যা এটি পরিবেশবান্ধবও।
|
উইণ্ডসরে বাংলাদেশ পিস ক্লক
সাধারণ এক আহ্বানের প্রেরণাকে ধারণ করে অসাধারণ কিছু ঘটিয়ে ফেললে লোকে তো আপনাকে উৎফুল্লু চিত্তেই বরণ করে নেবে, ইতিহাস তো আপনাকেই স্মরণ করবে। ‘শহরের কেন্দ্রস্থলকে সৌন্দর্য্যমণ্ডিত করতে সহায়তা করুন’ এমন এক সাধারণ আহ্বানে সাড়া দিয়ে দূর এক দেশে ‘বাংলাদেশ শান্তি ঘড়ি’ স্থাপনে বড় এক ভূমিকা রেখে বহু বছর আগে দেশত্যাগী আবদুল আজিজ চৌধুরী যেন তাঁর মাতৃভূমি বাংলাদেশকেই মহিমান্বিত করতে চাইলেন। আর তাই গত সপ্তাহের সোমবার এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাউথ এশিয়া কমিউনিটির সহকর্মীরা অবসরপ্রাপ্ত নগর গ্রন্থাগারিক আজিজ চৌধুরীকে করতালি ও উষ্ণ কথামালা দিয়ে ধন্যবাদ জানালেন। উইনডসর শহরের ওউলেটি অ্যাভিনিউ দক্ষিণ ওয়্যানডেটি সড়কের কেন্দ্রস্থলে আকর্ষণীয় সময়নির্ণায়ক এই শান্তিঘড়ি তৈরিতে ৬০ হাজার ডলারের মধ্যে চৌধুরী একাই ৩০ হাজার ডলার অনুদান দেন।
|
উইণ্ডসরে বাংলাদেশ পিস ক্লক
সাধারণ এক আহ্বানের প্রেরণাকে ধারণ করে অসাধারণ কিছু ঘটিয়ে ফেললে লোকে তো আপনাকে উৎফুল্লু চিত্তেই বরণ করে নেবে, ইতিহাস তো আপনাকেই স্মরণ করবে। ‘শহরের কেন্দ্রস্থলকে সৌন্দর্য্যমণ্ডিত করতে সহায়তা করুন’ এমন এক সাধারণ আহ্বানে সাড়া দিয়ে দূর এক দেশে ‘বাংলাদেশ শান্তি ঘড়ি’ স্থাপনে বড় এক ভূমিকা রেখে বহু বছর আগে দেশত্যাগী আবদুল আজিজ চৌধুরী যেন তাঁর মাতৃভূমি বাংলাদেশকেই মহিমান্বিত করতে চাইলেন। আর তাই গত সপ্তাহের সোমবার এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাউথ এশিয়া কমিউনিটির সহকর্মীরা অবসরপ্রাপ্ত নগর গ্রন্থাগারিক আজিজ চৌধুরীকে করতালি ও উষ্ণ কথামালা দিয়ে ধন্যবাদ জানালেন। উইনডসর শহরের ওউলেটি অ্যাভিনিউ দক্ষিণ ওয়্যানডেটি সড়কের কেন্দ্রস্থলে আকর্ষণীয় সময়নির্ণায়ক এই শান্তিঘড়ি তৈরিতে ৬০ হাজার ডলারের মধ্যে চৌধুরী একাই ৩০ হাজার ডলার অনুদান দেন।
|